প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       জবাইয়ের আগে পশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেয়াসহ ১১ দফা পরামর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন রাজধানীর খামার বাড়ির কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের মো. মাহবুব আহমেদ।

 

 

 

 

 

কোরবানীর পশুর চামড়া ছাড়ানো, সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

 

 

 

 

বিপনন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের উদ্ধৃতি দিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি তথ্য সার্ভিসের বেতার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ গোলাম মাওলা বলেন, চামড়া বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি পণ্য।

 

 

 

 

উৎকৃষ্টমানের চামড়া পাওয়ার জন্য পশু জবাইয়ের সময় অধিদপপ্তরের দেয়া পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি। এতে চামড়ার ভাল দাম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশও অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে।

 

 

 

 

 

পরামর্শের মধ্যে রয়েছে; জবাইয়ের আগে পশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেয়াসহ পানি পান করাতে হবে, জবাইয়ের ১২ ঘন্টা আগে থেকে পশুকে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রাখা উত্তম, জবাইয়ের আগে পশুকে ভালভাবে গোছল করাতে হবে,

 

 

 

 

 

 

জবাইয়ের আগে দরকারি ধারালো ছুরি ব্যবহার এবং উপযুক্ত গর্ত তৈরি করে নিতে হবে, জবাইয়ের পর পশুর সব রক্ত নির্গমনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে, রক্ত ভর্তি গর্তটি মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে,

 

 

 

 

চামড়া ছাড়ানোর সময় লক্ষ্য রাখতে হবে জাতে চামড়ার সঙ্গে মাংস ও চর্বি লেগে না থাকে এবং চামড়ার কোনো স্থান কেটে না যায় ও তাতে কোনো ময়লা না লাগে,

 

 

 

 

 

 

 

জবাইয়ের চার থেকে পাঁচ ঘন্টার মধ্যে সংরক্ষণের জন্য চামড়ায় দরকারি লবন লাগাতে হবে এবং জবাই ও মাংস কাটা শেষে সব ধরণের বর্জ্য ভালোভাবে অপসারণ করে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে এবং কাঁচা চামড়ার পঁচনরোধে ভিতরের দিকটি উপরের দিকে টানটান করে বিছিয়ে দিতে হবে,

 

 

 

 

 

 

 

অত:পর পর্যাপ্ত লবণ ছিটিয়ে চামড়ার পানি শুষে দেয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে এবং চামড়া বিক্রি আগে এই কাজটি বারবার করে যেতে হবে।