প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    যুক্তরাষ্ট্রকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। সম্প্রতি রামাল্লায় এক আলোচনা সভায়, অবরুদ্ধ গাজার মানবিক পরিস্থিতির উন্নয়নে ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রহকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসিদ্ধির পরিকল্পনা বলে আখ্যা দেন তিনি। তিনি বলেন, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই গাজার বাসিন্দাদের সহযোগিতা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

 

 

 

 

ইসরাইলের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের অপরাধ কর্মকা- ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ তুলেছে মানবাধিকার সংগঠন।

 

 

 

 

 

সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত নিবন্ধে মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, অবরুদ্ধ গাজার মানবিক পরিস্থিতির উন্নয়নে সহযোগিতায় আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।

 

 

 

 

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেন, গাজাবাসীর দুর্ভোগ আজকের নয়। যেদিন থেকে ইসরায়েলের অবরোধ শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই তাদের দুর্দাশার সূত্রপাত।

 

 

 

 

আজকে এসে গাজার পরিস্থিতিকে মানবিক বিষয় বলে বিবেচনা করা হচ্ছে! হঠাৎ কি মনে করে আমাদের জনগণকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রেরে এমন জেগে উঠা? আল্লাহর কসম তারা মিথ্যাবাদী।

 

 

 

 

 

পশ্চিম তীরের এ সরকার প্রধান সমালোচনা করেছেন গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসেরও। ২০০৭ সালে মাহমুদ আব্বাসের বাহিনীকে উৎখাত করে গাজার দখল নেয় হামাস। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ২০১৭ সালে পূর্ণশক্তির ফিলিস্তিন গঠনে একমত হয় হামাস ও ফাতাহ। এক বছরেও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি হামাসের অসহযোগিতাকেও দায়ী করেন তিনি।

 

 

 

 

মাহমুদ আব্বাস বলেন, পুনর্মিলনে একমত হওয়ার পর আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমরা চাই, সবশক্তি এক হয়ে আমাদের ভূমিতে এক আইনের অধীনে জনগণের জন্য সুন্দর একটি দেশ গড়তে। যেখানে বৈধ সশস্ত্র বাহিনী থাকবে, কোনো মিলিশিয়া থাকবে না। কিন্তু এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানত হামাসের কোনো আগ্রহ নেই।

 

 

 

 

 

দু’সপ্তাহ পর গাজার প্রধান সীমান্ত পথ কেরেম শাহলোম খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনদের দখলদারবিরোধী আন্দোলনের এক পর্যায়ে সীমান্ত পথটি বন্ধ করে তেল আবিব। খুলে দেয়ার পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এভিদগর লিবারম্যান আন্দোলনকারী ফিলিস্তিনের সতর্ক করে বলেন, সংঘাতে নয়, শান্ত থাকলে প্রতিদান মেলে।