প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       একটি অরাজনৈতিক আন্দোলনকে সর্বাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার চেষ্টাকে সরকারি দল হিসেবে আওয়ামী লীগ যা করার করেছে। প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য্য ধরতে বলেছেন। তিনি বলেছেন, উত্তেজিত হওয়া চলবে না।

 

 

 

 

 

তিনি সৎসাহস নিয়ে হিংসাত্মক রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন মোকাবিলা করেছেন। আওয়ামী লীগ এখন প্রডাকটিভ পার্টি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

 

 

 

 

 

 

শনিবার দুপুরে ঢাকার শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিবর্তন করলে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়াই যদি না থাকে তাহলে কোন প্রক্রিয়াই নির্বাচন হবে?

 

 

 

 

 

বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া সংবিধানের বিধান। এই বিধান থেকে আগামী নির্বাচনে সরে আসার সুযোগ নেই। এ ধরনের আবদার মামা বাড়ির আবদার।

 

 

 

 

 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমি চিনি। প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তোমরা বেপরোয়া যাত্রী হবে না। বেপরোয়া পথচারী হবে না।

 

 

 

 

 

এই অবস্থারও পরিবর্তন দরকার। এসময় তিনি শিক্ষামন্ত্রীকে প্রাইমারি লেভেল থেকে ট্রাফিক রুলস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার জন্য কোর্স চালু করার অনুরোধ করেন।

 

 

 

 

 

‘গুজব সন্ত্রাস-অপপ্রচার রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটি। সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

 

 

 

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল বাবু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা প্রমুখ।