প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সংলাপে চায় বিএনপি। আজ শনিবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই কথা জানান।

 

 

 

 

 

 

জাতীয় প্রেসক্লাবে মহানগর উত্তর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে আলোচনা সভায় নজরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন যদি নির্বাচনে না হয় তাহলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়।

 

 

 

 

 

 

সেই নির্বাচন হতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। আমরা সরকারকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে।

 

 

 

 

 

 

অন্যান্য ন্যায্য দাবি মানতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে ফয়সালা করতে হবে। তারপরেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা। তারপরেই নির্বাচন। নইলে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে এর দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।’

 

 

 

 

 

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে যেতে চাই। একই খেলা বার বার হয় না। কাজেই সরকারকে বলতে চাই, সম্মানজনক নিষ্ক্রমনের পথ, সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পথ একটাই অবশিষ্ট আছে।

 

 

 

 

 

সেটা হলো অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন, রাজবন্দিদের মুক্তি দিন। যেসব শিশু-কিশোরদেরকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে রেখেছেন তাদের মুক্তি দিন।’

 

 

 

 

 

সিলেট সিটি করপোরেশ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া দুই কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল তুলে ধরে নজরুল বলেন, ‘সরকার জানে যে, ওই দুইটি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী যদি ১৬১টা ভোট পায় তাহলেই জিতে যাবে।

 

 

 

 

 

কাজেই ওখানে কারচুপির চেষ্টা করলো না। এর ফলে যেটা হলো আমাদের প্রার্থী দুই হাজারের বেশি পেলেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেলেন ৫০০ ভোটের মতো। অর্থাৎ চার ভাগের একভাগ। এটাই হলো দেশের নির্বাচনের হিসাব।’

 

 

 

 

 

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সারা দেশে ওরা (আওয়ামী লীগ) পাবে আমাদের চার ভাগের এক ভাগ ভোট। আর সেই ভয়েই তারা নির্বাচন এমনভাবে করতে চায় সেভাবে তাদের জেতা নিশ্চিত করে। অনুগত নির্বাচন কমিশন, অনুগত প্রশাসন এবং আইনি অস্ত্রের বেআইনি প্রয়োগ করে, বেআইনিভাবে হয়রানি ইত্যাদি করে।’