প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      আফ্রিকার দেশ গুলোতে বিয়ের আগেই তরুণীরা তাদের সতীত্ব হারান। এটা যেমন নিজের ইচ্ছা হয়; তেমনি যৌননিগ্রহের শিকার হয়েও। তবে বিয়ের আগে নিজের কুমারিত্ব ফিরে পেতে হাজার হাজার টাকা খরচ করছেন তিউনেশিয়ার তরুণীরা।

 

 

 

 

 

 

হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির সমাজ বিজ্ঞানী তারেক বেলহাদিজ মোহাম্মদ বিশ্বাস করেন এটা সমাজে পুরুষতন্ত্রের কারণে ঘটছে। কারণ, একটা মেয়ে যখন বিয়ের আগে কোনো ছেলের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক করে, তখন ওই ছেলে দোষি না হয়ে শুধু মেয়েটি কেন হবে? আমরা এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছি।

 

 

 

 

 

 

কুমারিত্ব না থাকার কারণে প্রায়ই তিউনেশিয়ায় নববিবাহিত নারীদের বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে থাকে। দেশটির একটি ‘উদার’ পরিবারে জন্ম নেয়া ‘খাদিজা’। বড় হয়েছেন দেশের বাইরে। এখন ভয়ে আছেন, তার যৌনতার প্রকৃত ইতিহাস জানলে হবু বর তার সঙ্গে বিয়ে বাতিল করে দেবেন।

 

 

 

 

 

এই তরুণী বলেন, ‘এক পুরুষের সঙ্গে এক সময় আমার সম্পর্ক ছিল। তখন ভাবিনি যে ভবিষ্যতে আমার সমাজে আমাকে কী পরিমাণ চাপ সহ্য করতে হবে এবং এর ফলাফল কী হতে পারে। এখন আমি শঙ্কিত। এটা যদি আমার হবু বরকে বলি, আমি শতভাগ নিশ্চিত, বিয়ে বাতিল হয়ে যাবে।’

 

 

 

 

 

খাদিজার মতো আফ্রিকার দেশ তিউনেশিয়ার অনেক তরুণীই বিয়ের আগে এমন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে। ইসলামী ভাবধারার এই দেশটিতে বিয়ের আগে মেয়েদের সতিত্ব ঠিক থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

 

 

 

ফলে বিয়ের আগে নিজেদের স্বতিত্ব ফিরে পেতে ক্লিনিকগুলোতে ভিড় করছেন তারুণীরা। দেশটির গাইনি বিশেষজ্ঞ ফাউজি হাজারি বলেন, আমাদের কাছে যেসব তরুণী আসে তাদের মধ্যে এক ধরণের আতঙ্ক কাজ করে। কারণ, তারা তাদের পরিবার ও প্রতিবেশিকে না জানিয়েই এই কাজটি করে।

 

 

 

 

 

 

হাজারি বলেন, তবে কুমারিত্ব নিয়ে সমাজে যে কথা প্রচলন রয়েছে তা সম্পন্ন ঠিক নয়। তারণ, যৌনমিলন ছাড়া আরও অনেক কারণে নারীদের সতিচ্ছেদ পর্দা ফেটে যেতে পারে।