প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       গুরুর আদেশ। তাই স্বামীর শয্যাসঙ্গিনী হবেন না তিনি। অনেক পীড়াপিড়িতেও স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে রাজি না হওয়ায়, অবশেষে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের মামলা করলেন বছর ৩০-এর এক ব্যক্তি। সোমবার (৬ নভেম্বর) তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ মঞ্জুর করেন ভারতের মহারাষ্ট্রের বান্দ্রা আদালত।

 

 

 

 

 

শুনানির সময় ওই তরুণী জানান, বিকৃত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার দাবি জানাত তার স্বামী। সে কারণেই স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চাননি তিনি।

 

 

 

 

 

জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে বিয়ে হয় ওই দম্পতির। ওই ব্যক্তি তার পিটিশনে জানান, বিয়ের রাতে স্ত্রীর আচরণে মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। কারণ কনডোমের প্যাকেট নিয়ে এসেছিলেন তার স্ত্রী।

 

 

 

 

 

কিন্তু চার মাস পর সেই স্ত্রীর আচরণেই হতবাক হয়ে যান। গুরুর পরামর্শ মেনে ঘনিষ্ঠ হতে আপত্তি জানান তার স্ত্রী। এমকী আগামী পাঁচ বছর তিনি কোনো সন্তান চান না বলেও স্বামীকে সাফ জানিয়ে দেন।

 

 

 

 

 

ওই তরুণীর বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ, তিনি নাকি স্বামীর ই-মেল হ্যাক করে তার বন্ধুদের কাছে আপত্তিকর বার্তা পাঠাতেন। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গেও নিত্য ঝগড়া অশান্তি করতেন।

 

 

 

 

 

 

এদিন রায় দানের সময় বিচারপতি এসএ মোরে জানান, ‘স্বামীর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত না হওয়ার কোনো জোরাল দাবি জানাতে পারেননি স্ত্রী। তার আচরণ মানসিক নির্যাতন করার সামিল।’