প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        পৃথিবীর এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ। এর পেছনে কিছু কারণ থাকে, তার মধ্যে অন্যতম হলো নিরাপত্তা। তাছাড়াও, প্রথা বা ধর্মীয় কারণে কিছু স্থানে নারীদের প্রবেশে নিষেধের কথা শোনা যায়।

 

 

 

 

 

তবে এবার পুরুষের প্রবেশে একটি দ্বীপে নিষেধাজ্ঞার কথা শোনা গেলো। এটা কোনো প্রথাগত কারণ বা নিরাপত্তাজনিত কারণও নয়। তাহলে কী কারণে তাই আমারা জানবো।

 

 

 

 

উত্তর ইউরোপের দ্বীপটি ফিনল্যান্ডে। সুপারশি নামের এই দ্বীপটি যেকোনো মানুষের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকবে। সর্বমোট চারটি কেবিন রয়েছে দ্বীপটিতে। প্রতিটি কেবিনে থাকতে পারেন ১০ জন। নারীদের জন্য সেখানে পার্লারও আছে।

 

 

 

 

ক্রিশ্চিয়ানা রোথ নামে এক মার্কিন তরুণী ফিনল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে দ্বীপটির খোঁজ পান। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সবুজে ঘেরা দ্বীপটির মধ্যে একটি রিসোর্টও রয়েছে।

 

 

 

 

 

ক্রিশ্চিয়ানা বলেন, অনেক দিন ধরেই তার ইচ্ছা ছিল কেবল নারীদের জন্য উন্মুক্ত একটি জায়গা তৈরি করবেন। সেই ইচ্ছা থেকেই দ্বীপটিতে এই নিয়ম চালু করেন তিনি।

 

 

 

 

 

 

তবে দ্বীপটিতে নারীদের প্রবেশের জন্য কোনো বয়সসীমা আছে কিনা, তা জানা যায়নি। সেখানে বিলাসবহুল ক্যাফে ও হোটেল আছে।

 

 

 

 

সুপারশিতে ইয়োগা চর্চার সুযোগ ও প্রমোদের ব্যবস্থা আছে। দ্বীপটিতে থাকতে চাইলে আপনাকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এর পর স্কাইপের মাধ্যমে দিতে হবে সাক্ষাৎকার। তার পরই সুযোগ মিলবে সেখানে থাকার।

 

 

 

 

 

 

ক্রিশ্চিয়ানা রোথ বলেন, সুপারশি বলতে আমি এখানে বোঝাতে চেয়েছি- আপনি একজন স্বাধীন নারী। আপনার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে। একজন স্বাধীন নারাই এখানে এসে আনন্দ করতে পারবেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

ইতোমধ্যে কয়েক হাজার নারী দ্বীপটিতে থাকার আবেদন করেছেন। তবে এখানে থাকার খরচ একেবারে কম না। পাঁচ দিন থাকতে চাইলে আপনাকে তিন থেকে ছয় হাজার ডলার গুনতে হতে পারে।