প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       বিএনপির শতাধিক বহিষ্কৃত নেতাদেরকে আবার দলে ফিরিয়ে আনছেন। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সেপ্টেম্বর মাসে বহিষ্কৃত শতাধিক নেতাদের দলে ফিরিয়ে নেয়া হতে পারে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তৃণমূলে সংগঠনকে শক্তিশালী ও আন্দোলনমুখী করতে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের নীতিগত সিদ্ধান্ত।

 

 

 

 

 

 

এরপর থেকে নেতাদের তালিকা করে কেন্দ্র। কেন্দ্রের নির্দেশনা পেয়ে গত ১০ বছরে দল থেকে বহিষ্কৃত নেতাদের নামের তালিকা তৈরি করছে দলটির কেন্দ্রীয় দফতর শাখা।

 

 

 

 

 

ইতিমধ্যে প্রথম দফায় দুই শতাধিক বহিষ্কৃত নেতার নামের তালিকা লন্ডনে তারেক রহমানের কাছে পাঠানো হয়েছে। আর দ্বিতীয় ধাপের তালিকা প্রস্তুতের কার্যক্রম রয়েছে শেষপর্যায়ে।

 

 

 

 

 

দুই-একদিনের মধ্যে এ তালিকা প্রস্তুত করে লন্ডনে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। এসব তালিকায় বহিষ্কৃত নেতার নাম, পদবি, ঠিকানা, বহিষ্কারের কারণ ও বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশকারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

তালিকায় স্থান পাওয়া বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে যারা আছেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন- পাবনা জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান মিন্টু, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সাবেক নেতা হযরত আলী, নাটোর জেলার সাবেক সদস্য সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ডিউক, নাটোর জেলার সাবেক নেতা শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, আব্দুল মান্নান, খন্দকার জোবায়ের,

 

 

 

 

 

 

 

ভোলা জেলার সাবেক সদস্য আক্তারুজ্জামান টিটব, বরগুনার তালতলী উপজেলার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন, টাঙ্গাইল জেলার সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল রশিদ চেয়ারম্যান, কুষ্টিয়া জেলার সাবেক সদস্য আলতাব হোসেন, খাগড়াছড়ি জেলার সাবেক সহসভাপতি মনিন্দ্র লাল ত্রিপুরা, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি রফিকুর রহমান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সাবেক সহসভাপতি আজগর আলী এবং চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ এমএ হান্নান।

 

 

 

 

 

 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃতদের তালিকার পর রাগ-ক্ষোভ ও অভিমানে যেসব নেতা নিষ্ক্রীয় রয়েছেন, তাদের পাশাপাশি দলের কথিত সংস্কারপন্থী নেতাদের তালিকা করা হবে।