প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        প্রেমের সম্পর্ক চলছিল ছয় বছর। এর মধ্যেই বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীর (২০) সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন প্রেমিক মাসুদ রানা। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ওই ছাত্রীকে বাড়িতে আসতে বলে নিজেই উধাও হন।

 

 

 

 

এর পর থেকেই বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেন ওই কলেজছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের ছোট পওঁতা গ্রামে।

 

 

 

 

 

চার দিন টানা অনশনের পর গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অনশনরত ওই ছাত্রীকে তার বাবার জিম্মায় দেন।

 

 

 

 

নিরুপায় হয়ে ওইদিন রাতেই কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সে। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

 

 

 

 

 

ওই হাসপাতালে দুই দিনের চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে গতকাল শনিবার থেকে আবারও প্রেমিক মাসুদের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন ওই ছাত্রী।

 

 

 

 

 

ওই কলেজছাত্রী বলেন, ‘প্রভাবশালী প্রতারক মাসুদের প্রেমের খপ্পরে পরে আমি সব হারিয়েছি। এখন স্ত্রীর অধিকার নিয়ে ফিরব, না হয় লাশ হয়ে ফিরব।’

 

 

 

 

 

 

জানা গেছে, ছয় বছর আগে ছোট পঁওতা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য প্রভাবশালী হাসান আলীর ছেলে মাসুদ রানার সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভনে মাসুদ রানা মেয়েটির সঙ্গে একাধিকবার শারিরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

 

 

 

 

 

গত সোমবার গোপনে মাসুদ রানার বিয়ের সংবাদ পেয়ে ওই কলেজছাত্রী তার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তখন তার প্রেমিক তাকে বাড়িতে আসতে বলে নিজেই উধাও হয়ে যায়। পরে উপায় না দেখে গত সোমবার থেকেই মাসুদের বাড়িতে অনশন শুরু করে ওই ছাত্রী।

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন মুক্তা জানান, ‘ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছি। সমাধানের চেষ্টা চলছে।’