প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ইতিমধ্যে ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় এসেছে পরিবর্তন। ইতিবাচক পরিবর্তন। আশা করছি, ঈদের পর এই পরিবর্তন আরও দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। সোমবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

 

 

 

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের এক সভায় ‘ঢাকা শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

 

 

এর মধ্যে রয়েছে শহরে চলাচলের সময় গাড়ির মূল দরজা বন্ধ রাখা, অটোসিগন্যাল ও রিমোট কনট্রোলড অটোমেটিক বৈদ্যুতিক সিগন্যালিং পদ্ধতি চালু করার মতো বিষয়গুলো। ১৬ আগস্ট এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান। সভায় নিরাপদ সড়ক ও মহাসড়কের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চলমান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

সুপারিশে পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বলা হয়, ঢাকা শহরে সব গণপরিবহন, বিশেষত বাস চলাচলের সময় গাড়ির মূল দরজা বন্ধ রাখা এবং বাস স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠা-নামা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা নিশ্চিত করতে হবে।

 

 

 

 

 

গণপরিবহনে (বিশেষ করে বাস) দৃশ্যমান দুটি স্থানে চালক ও সহকারীর ছবিসহ নাম এবং চালকের লাইসেন্স নম্বর, মোবাইল নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা, সব মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীকে বাধ্যতামূলক হেলমেট পরতে হবে এবং সিগন্যালসহ ট্রাফিক আইন মানতে বাধ্য করতে হবে।

 

 

 

 

 

পরিবহন ব্যবস্থাপনার এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে ২০ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিআরটিএ ও ঢাকা মহানগর পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ঈদের সময় ঢাকায় পাঁচ স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

 

 

 

 

 

১৪ হাজার পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। ঈদগাহ ময়দানে আসার সময় বাইরের গেটে, প্রধান গেটে ও ভেতরে চেকপোস্ট থাকবে। তল্লাশিকালে লম্বা লাইন পড়তে পারে। নিরাপত্তার স্বার্থে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতার জন্য মুসল্লিদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

 

 

 

 

 

 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদগাহ ময়দানে ব্যাগ, ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা আনা যাবে না। মুসল্লিরা জায়নামাজ আর বৃষ্টি হলে ছাতা সঙ্গে আনতে পারবেন। তবে প্রয়োজনে জায়নামাজ ও ছাতাও তল্লাশি করা হতে পারে।

 

 

 

 

 

 

 

ঈদ উপলক্ষে ঢাকা অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যাবে। বাসাবাড়ি, অফিস, বিপণিবিতানগুলোও ফাঁকা থাকবে। এ সময় মহানগরের নিরাপত্তায় পুলিশি টহল থাকবে।