প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    সম্পর্কে জটিলতা থাকবেই, সে যত মধুর প্রেমের সম্পর্কই হোক না কেন। দুজনের মাঝে বোঝাপড়া ভালো না থাকলে এ জটিলতা থেকে সম্পর্কে ফাটল তৈরি হতে পারে।

 

 

 

 

 

 

 

অনেক সময়েই প্রেমিক বা স্বামী কিছু তথ্য গোপন করেন। এসব নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও বাড়তে থাকে। এসব গোপন তথ্য নিয়ে মনোমালিন্য নয়, বরং তার সাথে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করুন।

 

 

 

 

 

১) প্রেমিকের পরিবার এবং ক্যারিয়ার নিয়ে সমস্যা : পুরুষরা নিজেদের অনুভূতি নিয়ে বেশিরভাগ সময়েই কথা বলতে চান না। জীবনে অনেক ঝামেলা চলছে, এরপরেও প্রেমিকাকে বলেন যে তিনি ভালো আছেন। এমনকি আর্থিক টানাপোড়েন দেখা দিলেও তিনি প্রেমিকার সামনে তা লজ্জায় বলতে চান না।

 

 

 

 

 

 

 

তিনি আপনাকে চিন্তিত করতে চান না বলেই এ ব্যাপারটা চেপে যান। আপনি যদি জানতে পারেন তার পরিবার বা ক্যারিয়ার নিয়ে সমস্যা হচ্ছে এবং তিনি আপনাকে জানাননি, তা নিয়ে রাগারাগি করবেন না। বরং কোনোভাবে তার উপকার করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে আলোচনা করুন।

 

 

 

 

 

২) তিনি বিমর্ষ বা রাগান্বিত : রুষের অনুভূতি নারীর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। কিন্তু তারা ব্যক্তিত্ব ধরে রাখার জন্য নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করেন, সহজে অনুভূতির প্রকাশ করেন না। আপনার ওপর রাগ হলেও অনেক সময়ে তারা সম্পর্কে শান্তি বজায় রাখার জন্যই তা প্রকাশ করেন না।

 

 

 

 

৩) তিনি আগের কোনো সম্পর্কের কষ্ট বয়ে বেড়াচ্ছেন : প্রেমিকার সাথে আগের সম্পর্কের তথ্য শেয়ার করতে চান না অনেক পুরুষই। তারা স্বীকার করতে চান না অন্য কেউ তাকে কষ্ট দিয়ে গেছে। এ কারণেই তারা প্রাক্তন প্রেমের ব্যাপারে গোপনীয়তা বজায় রাখেন।

 

 

 

 

৪) তিনি আপনার বান্ধবী বা আত্মীয়র প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন : কোনো কোনো পুরুষ তার প্রেমিকার বান্ধবী বা বোনের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। কিন্তু তা বেমালুম চেপে যান প্রেমিকার রেষ থেকে বাঁচার জন্য।

 

 

 

 

 

৫) আপনার ব্যাপারে তার বন্ধুদের মতামত : আপনার কৌতূহল হতেই পারে, আপনাকে নিয়ে প্রেমিকের বন্ধুরা কী মনে করে? আপনাকে কী তারা পছন্দ করে নাকি নেহায়েতই অপছন্দ করে? অনেক সময়ে অপছন্দের ব্যাপারটি প্রেমিকার সামনে বলতে ইতস্তত বোধ করেন প্রেমিক।

 

 

 

 

 

কারণ এতে ভবিষ্যতে প্রেমিকা ও বন্ধু দুইকে সামলানোই কঠিন হয়ে পড়ে। একই কথা প্রেমিকের পরিবারের ব্যাপারেও প্রযোজ্য। পরিবারের মানুষ প্রেমিকাকে অপছন্দ করলেও প্রেমিকার সামনে তা স্বীকার করেন না প্রেমিক।

 

 

 

 

 

 

৬) তার পাসওয়ার্ড : মোবাইল ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়ার পাসওয়ার্ড গোপন রাখার অধিকার সবারই আছে। আপনার প্রেমিকও তার ব্যতিক্রম নন। আপনাকে পাসওয়ার্ড দিতে চান না, তারমানে এই নয় যে আপনার প্রেমিক লুকিয়ে লুকিয়ে অন্য কারও সাথে প্রেম করছেন।

 

 

 

 

 

 

৭) ছোটবেলার কোনো ভয়াবহ ঘটনা : নিজের ছোটবেলার কথা জানতে চাইলে এড়িয়ে যান তিনি। এর পেছনে থাকতে পারে কোনো ভয়াবহ ঘটনা। সেই ট্রমা থেকেই হয়তো তিনি এ ব্যাপারে কথা বলতে চান না।

 

 

 

 

 

কারণ এসব ব্যাপারে কথা বলাটা আসলে মোটেই সহজ নয়। তাই এ ব্যাপারে জানার জন্য বেশি চাপাচাপি না করাই ভালো। আপনাদের সম্পর্কটি যদি ভালো হয়ে থাকে, একসময় তিনি নিজেই মুখ খুলবেন।

 

 

 

 

 

৮) বিপরীত লিঙ্গের সাথে বন্ধুত্ব : অনেক মেয়েই তার প্রেমিকের সাথে অন্য মেয়ের বন্ধুত্বকে ভালো চোখে দেখেন না। এ কারণে ছেলেরা নিজ থেকেই এসব বন্ধুত্ব গোপন রাখেন। এ সম্পর্ককে খারাপ চোখে দেখার কিছু নেই। বিপরীত লিঙ্গের সাথে বন্ধুত্ব মানেই তা পরকীয়া, এমনটা ভাবারও কিছু নেই।

 

 

 

 

 

 

৯) তিনি এখনও প্রাক্তন প্রেমিকাকে ভুলতে পারেননি : ব্রেক আপের পর অনেকেই প্রাক্তন  প্রেমিকাকে ভুলতে পারেন না। এই কষ্ট ভুলতেই হুট করে তারা নতুন একটি সম্পর্কে জড়িয়ে যান।

 

 

 

 

 

 

অনেক সময়েই নতুন প্রেমিকার সান্নিধ্যে একসময় প্রাক্তনের প্রতি প্রেম কাটিয়ে উঠতে পারেন তারা। কিন্তু এ ব্যাপারটা বর্তমান প্রেমিকাকে বললে সম্পর্কে ছেদ দেখা দিতে পারে, এ কারণে তিনি বিষয়টি গোপন রাখেন।