প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনসহ সমসাময়িক বিভিন্ন ঘটনায় নির্যাতন-হয়রানির অভিযোগ নিয়ে পশ্চিমা কূটনীতিকদের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার তাঁদের ভূমিকা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েছে।

 

 

 

 

পশ্চিমা দূতাবাসগুলোর কজন প্রতিনিধি গত রবিবার ঢাকায় পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে নির্যাতন-হয়রানির অভিযোগ তুলে উদ্বেগ জানান।

 

 

 

 

জবাবে পররাষ্ট্রসচিব তাঁদের বলেছেন, এ ধরনের অভিযোগ উদ্বেগজনক। সরকার একে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি তাঁদের পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যখন হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে তখন আপনাদের বিবেক কোথায় ছিল?’

 

 

 

 

এদিকে চলতি মাসের শুরুর দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের গাড়িতে হামলার অভিযোগকে কর্তৃপক্ষ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, ওই হামলার অভিযোগের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

 

 

 

 

 

তাঁরা স্পষ্টভাবে জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত গত ৪ আগস্ট রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় নৈশভোজ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে পুলিশকে অবহিত করেছিলেন কি না। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

 

 

 

 

 

ঢাকার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট সে রাতে যে ঢাকার মোহাম্মদপুরে যাবেন সে বিষয়ে পুলিশকে আগে জানানো হয়নি। জানানো হলে পুলিশ অবশ্যই নিরাপত্তার উদ্যোগ নিত। হামলার অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশ সেদিন যেভাবে ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রশংসা করেছে।