প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      গাজীপুরে কনার পরিবারের গরুর খামার আছে। প্রতিবার ঈদুল আজহায় সেখান থেকেই গরু বেছে নেন তারা। সেখানেই তাদের গ্রামের বাড়ি। প্রতি বছর কোরবানি ঈদ উদযাপনের জন্য পরিবারের সবার সঙ্গে গাজীপুরে যান কনা। তার কথায়, ‘গ্রামে ঈদ কাটানোর আনন্দ বরাবরই অন্যরকম।’

 

 

 

 

ছোটবেলা ঈদগুলো খুব মিস করেন কনা। এখন আর সেই আমেজ পান না। তার চোখে, ‘এখন ঈদ এলে রেগুলার লাইফটাতে কয়েকদিনের জন্য একটু পরিবর্তন আসে, এই যা!’

 

 

 

 

 

ঈদে সালামি তেমন পান না বললেই চলে কনা। তিনি সর্বোচ্চ কত সালামি পেয়েছিলেন জানেন? শুনুন তার মুখে, ‘আমি সালামি পাই না বললেই চলে। আব্বু আর দুলাভাই ছাড়া কেউ দেয় না। এক ঈদে সর্বোচ্চ সালামি পেয়েছিলাম পাঁচ হাজার টাকা।’

 

 

 

 

 

সালামি নেওয়ার চেয়ে দিতেই কনার এখন ভালো লাগে বেশি। তিনি বললেন, ‘সালামি দেওয়ার মজাটা একটু অন্যরকম। এখন পর্যন্ত এক ঈদে সর্বোচ্চ সালামি দিয়েছি পাঁচ হাজার টাকা।’

 

 

 

 

গাজীপুর ছাড়া ঈদে তেমন কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয় না কনার। কাজের কারণে সময় হয়ে ওঠে না। এবারও ঈদের পরদিনই ফের ঢাকায় চলে আসবেন। কারণ তিনটি টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার হবে এমন অনুষ্ঠানে গাইবেন তিনি। এ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হবে তাকে।

 

 

 

 

 

এছাড়া ঈদের পরপর কয়েকটি শো আছে কনার। এসব আয়োজনে ও শুটিংয়ে পরার জন্য কিছু কেনাকাটা করেছেন তিনি। রোজার ঈদে পরিবারের ছোটবড় সবাইকে কেনাকাটা করে দেন জনপ্রিয় এই গায়িকা।

 

 

 

 

 

ঈদুল আজহায় কনার গাওয়া কয়েকটি গান বের হচ্ছে। এর মধ্যে রোশান ও ববি অভিনীত ‘বেপরোয়া’ ছবিতে ও ভিকি জাহেদের ‘বান্ধবী’ ভিডিও ফিকশনের জন্য গেয়েছেন তিনি। এছাড়া ‘স্বপ্ন’ ও ‘মন বলছি তাই’ শিরোনামের দুটি মিউজিক ভিডিও আসার কথা রয়েছে।

 

 

 

 

 

 

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে গান বের হলে যেমন উত্তেজনা কাজ করতো, এখনও কনার কাছে ব্যাপারটা তেমন। তিনি বলেন, ‘নতুন গান প্রকাশ হলে অনেক আনন্দ লাগে। গানগুলো ফেসবুকে পোস্ট করি, কে কী মন্তব্য করলো সেগুলো দেখি।’

 

 

 

 

 

 

 

ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় মোটামুটি ভালোই সময় দেন কনা। ফলোয়ার বাড়লে তারও ভালো লাগে। তার কথায়, ‘ফলোয়ারদের ইতিবাচক মন্তব্য ভালো লাগে। ফলোয়ার আর শ্রোতারাই তো আমাদের শিল্পীদের জন্য সব।’