প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির হিসাব অনুযায়ী এ বছর কোরবানির পশুর সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে যাবে..প্রতিটি চামরার দাম যদি গড়ে ৫০০ টাকা ধরা হয় তাহলেও প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বাংলাদেশের গরিবদের মধ্যে বিতরন করা হবে।

 

 

 

 

 

প্রতিটি পশুর দাম যদি গড়ে ৫০০০০ টাকাও ধরা হয় তাহলে প্রায় ৫০০০০ কোটি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। অর্থনীতির ভাষায় যেটাকে circulation of money বলা হয়। এটা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটা সূচক।

 

 

 

 

 

কোরবানির হাটগুলো থেকে পশু বিক্রির প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাংশ টাকা সরকারি তহবিলে জমা হয়েছে হাটের ইজারাদারদের মাধ্যমে, সেই হিসাবে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে সরকারি তহবিলে।

 

 

 

 

 

কোরবানির গোশতের ১/৩ শতাংশ বরাদ্দ করা থাকে গরিব মিসকিনদের জন্য। সেই হিসাবে প্রায় ১৬৬৬৬ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খাবার বিতরন করা হবে বাংলাদেশের গরিব মিসকিনদের মধ্যে।

 

 

 

 

দেশের চামড়া শিল্পে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার কাঁচামাল। যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

 

 

সর্বোপরি কোরবানীর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত ভাবে এমন ভাবে উপকারী পৃথিবীর আর কোন ধর্মের ধর্মীয় দিবসের মাঝে লুকায়িত আছে দেখাতে পারবেন?

 

 

 

 

 

 

“অতএব তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে” (সূরা-আর রহমান)