প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ইমরান খানের নেতৃত্বে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে নাস্তা ছিল চা ও বিস্কুট। দেখা যাক কতদিন কী চলে। এখন পর্যন্ত সবই আশাব্যাঞ্জক। দেশটাতো পাকিস্তান। তাই আরো দেখতে হবে। আমরা বিশ্ববাসী চায় ভাল কিছু।

 

 

 

 

কোন মন্ত্রী সরকারি খরচে বিদেশে চিকিৎসা নিতে পারবেনা। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিসহ সরকারি কর্মকর্তাদের বিলাসবহুল চলাফেরার ইতি ঘটতে যাচ্ছে পাকিস্তানে। রাষ্ট্রের অর্থ বাঁচাতে কর্তা ব্যক্তিদের খরচ একেবারে নামকাওয়াস্তে রাখতে বদ্ধপরিকর ’নয়া পাকিস্তান’ এর স্বপ্ন দেখানো নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

 

 

 

 

 

ইতোমধ্যে তার শপথানুষ্ঠানে আগের প্রধানমন্ত্রীদের করা খরচের ২০০ ভাগের এক ভাগ খরচ করেছেন তিনি। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের শপথানুষ্ঠানে ব্যয় হয়েছিল ৯২ লাখ রুপি, ২০০৮ সালে জারদারির অনুষ্ঠানের ব্যয় ছিল ৭৬ লাখ রুপি। সেখানে গত রোববার নিজের শপথানুষ্ঠান ইমরান খান সেরেছেন মাত্র ৫০ হাজার রুপিতে!

 

 

 

 

এরপর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাসাদসম বাসভবনে থাকবেন না তিনি। এটি হবে বিশ্ববিদ্যালয়। তার জন্য রাষ্ট্রের বরাদ্দ ৫২৪ জন কর্মচারির সবাইকে ছুটি দিয়ে রেখেছেন মাত্র ২ জনকে।

 

 

 

 

 

প্রধানমন্ত্রীর বাসবভনে থাকা ৮০টি গাড়ির মধ্যে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি রেখে বাকি ৩৬টি বুলেটপ্রুফ গাড়িসহ সবগুলো নিলামে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

বলেছিলেন মন্ত্রী, গভর্নরসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তার বেলায়ও একই নীতি গ্রহণ করবে তার সরকার। সোমবার প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে দেখা গেল তেমনই চিত্র, যা বহু বছরের অনুশীলনের সাথে একবারেই বেমানান! এদিন কয়েক ঘণ্টা বৈঠকের মাঝখানে বিস্কুট ছাড়া চা খাওয়ার সুযোগ পেলেন মন্ত্রীরা! অন্য কোনো খাবার তো দূরের কথা।

 

 

 

 

 

 

বৈঠকে ইমরান খান নতুন মন্ত্রীদেরকে অনুরোধ করেছেন যেন তারা তাদের এবং নিজেদের কার্যালয়ের দৈনন্দিন খরচ কমিয়ে আনেন। এছাড়া দৈনিক ১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হবে বলেও জানান তিনি। নিজের ব্যাপারে বলেন, আমি প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা কাজ করবো।

 

 

 

 

 

 

 

এছাড়া ইমরান বলেন, ঈদ না হলে কারো জন্যই কোনো ছুটি মঞ্জুর করা হতো না। ‘পরিবারের কথা ভুলে যেতে হবে’ বলেও মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন ক্রিকেট দলের অধিনায়ক থেকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেয়া ইমরান। সত্যি অতূলনীয়। ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে