প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       ‘চুমুবাবা’ সেজে কাজ সারছিলেন তিনি। জড়িয়ে ধরে তিনি চুমু খেলেই রোগমুক্তি! তার এই প্রচারে প্রলুব্ধ হয়ে অনেকেই কঠিন রোগ সারানোর আশায় আসতেন।

 

 

 

 

অনেক নারীর সঙ্গে রোগ সারিয়ে দেওয়ার নাম করে কুকর্ম সেরেছেন সেই বাবা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। প্রতারণার অভিযোগে এই ভণ্ড সাধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তার আস্তানা।

 

 

 

চুমুবাবার আসল নাম রামপ্রসাদ চৌহান। ভারতের আসারাম বাপু, গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের মতো তিনিও এক স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক গুরু।

 

 

 

 

 

আসামের মরিগাঁও জেলার ভোরালতুপ গ্রামে রীতিমতো আশ্রম খুলে বসেছিলেন এই প্রতারক সাধু। দিনের পর দিন ধরে নারীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন তিনি।

 

 

 

 

শেষমেশ স্থানীয় লোকজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে আশ্রমে গিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ছেলেকে সাহায্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন রামপ্রসাদের মা।

 

 

 

 

 

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রামের মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করে নিজের যৌন লালসা মেটাতেন এই গুরু। মূলত নারীরাই ছিল তার টার্গেট। তবে এসবের অছিলায় ভক্তদের থেকে মোটা টাকার দক্ষিণাও নিতেন বাবা।

 

 

 

 

 

সাধারণ মানুষের কাছে এই প্রতারক বাবা দাবি করতেন, তিনি নাকি ভগবান বিষ্ণুর অবতার! তার সঙ্গলাভেই মুক্তি মিলবে শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক কিংবা বৈষয়িক সমস্যার।

 

 

 

 

 

রামপ্রসাদ চৌহানের বিরুদ্ধে প্রতারণার পাশাপাশি যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মাত্র তিন মাসেই এই চুমুবাবা প্রতারণার জাল অনেকদূর বিস্তার করে ফেলেছিলেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।