প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী দল। আমাদের দল সব সময় নির্বাচনের জন্য তৈরি থাকে। আমাদের প্রত্যেকটি আসনে কমপক্ষে তিন জন করে প্রার্থী তৈরি আছে।

 

 

 

 

শুক্রবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

 

 

মির্জা ফখরুল বলেন, সংলাপের ব্যাপারে নির্ভর করবে সরকারের ইচ্ছার উপরে। ২০১৪ সালে নির্বাচনকালীন সরকারে আমাদের আহ্বান জানানো হয়নি। এটা সম্পর্কে একটা ভুল ধারণা সরকার প্রচার করেছে। আমরা যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমাদের সময় দেয়নি।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেকটি ইতিবাচক কাজে আশাবাদী। তারা তো আমাদের এ ধরনের (সংলাপের) ব্যাপার অতীতে নাকচ করে দিয়েছে। এখন যেটা বলছে সেটা কথার কথা কি না। তারা যদি আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডাকে আমরা তো সেটাই চাচ্ছি।

 

 

 

এ সরকার তো কোনো বৈধ সরকার না তারপরেও আমরা তাদের কাছে আহ্বানগুলো জানাই। আমরা তাদের কাছে বলছি এ সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিৎ। এটি এখন নির্ভর করছে সরকারের উপর, তারা যদি রেসপন্স করে তাহলে তো আমরা আছি।

 

 

 

 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, কূটনীতিকদের দেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে ব্রিফ করা আমাদের দেশের বড় দলগুলোর একটি পুরনো প্রচলিত নিয়ম। প্রত্যেকটি দল তাদের ব্রিফ করে। আমরাও মাঝেমাঝে তাদেরকে ব্রিফ করি। এর বেশি কিছু নয়।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ম্যাডাম জিয়ার নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা সবাই মিলে দল পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছি। এই সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই। সংসদে একটা বিরোধী দল নেই। নিরাপদ সড়কের দাবি তো কোনো রাজনৈতিক দাবি নয়।

 

 

 

 

 

এটাকে কেন দমন করতে হবে আমার মাথায় আসে না। এ সরকারের আচরণে বোঝা যায় তাদের জনগণের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। গতবার যে ওয়ান ইলেভেন ঘটেছে আমরা সবাই জানি সেটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের একটা সম্পর্ক রয়েছে। তারা বলেছিল তাদের কর্মকাণ্ডের সকল বৈধতা দেবে। এবং পরবর্তীকালে দিয়েছেও। এটা কখনো কাঙ্ক্ষিত হতে পারে না।

 

 

 

 

 

 

ফখরুল বলেন, সব চক্রান্তই ব্যর্থ হবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই যে ফ্যাসিস্ট সরকার আছে যারা জনগণের সকল অধিকার কেড়ে নিয়েছে তাদের তো অবশ্যই পরাজিত হতে হবে।