প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     বর্তমানে নারীদের উপর যৌন হামলা ক্রমেই বেড়ে চলছে। আর এই যৌন হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে মেক্সিকোর চারজন শিক্ষার্থী মিলে একটি জ্যাকেট উদ্ভাবন করেছেন।

 

 

 

 

এই জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় থাকলে কেউ যখন তার উপর হামলা চালাতে আসবে তখন জ্যাকেটের হাতা থেকে হামলাকারীর গায়ে বৈদ্যুতিক শক লাগবে। পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি এই জ্যাকেটের নাম দেয়া হয়েছে ওমেন ওয়েরাবেল।

 

 

 

 

 

আর এই বৈদ্যুতিক শকের তীব্রতা এতোটাই কম যে এর ফলে জ্যাকেটটিকে কোনো ধরনের অস্ত্র হিসেবে গণ্য করা যাবে না। তবে এর মাধ্যমে যে কোনো ধরনের যৌন হামলা ঠেকানো সম্ভব হবে। এটি হতে পারে আত্মরক্ষার একটি হাতিয়ার।

 

 

 

 

শিক্ষার্থীরা প্রথমে সুতার তৈরি একটি ট্র্যাক সুট কিনে আনেন। তারপর তার লাইানিং-এর ভেতরে ৯ ভোল্টের একটি ব্যাটারি, একটি ট্রান্সফরমার এবং কিছু তার ঢুকিয়ে দেন। এগুলো এমনভাবে পেঁচানো অবস্থায় থাকে যে যিনি এই জ্যাকেট পরবেন তার গায়ে বিদ্যুতের শক লাগবে না। বিদ্যুৎ চালু ও বন্ধ করার জন্যে সেখানে একটি সুইচ বা বোতাম লাগানো আছে। আছে একটি এলইডি বাতিও।

 

 

 

 

 

 

রোবটিক্সের শিক্ষার্থী গিওয়ান পার্ক সার্কিটের নকশা তৈরি করেছেন। জ্যাকেটের একটি বোতামের মাধ্যমে এর ভেতরে বিদ্যুৎ চালু করা হয়। লাইট জ্বলে উঠতে বুঝতে হবে যে নিজেকে রক্ষা করার জন্যে জামাটি তৈরি হয়ে গেছে।

 

 

 

 

এখানে বৈদ্যুতিক শকের মাত্রা খুব কম। এর ফলে কারো জীবনের উপর হুমকি তৈরি হবে না। আর একারণে এই জ্যাকেটটি কোন ধরনের অস্ত্র হিসেবেও বিবেচিত হবে না। পরীক্ষামূলকভাবে এই জ্যাকেটটি তৈরি করতে সময় লেগেছে তিন মাসের মতো।

 

 

 

 

 

উদ্ভাবক শিক্ষার্থীরা বলেছেন, মানুষের উপর ধর্ষণের মতো সহিংসতার কিছু গবেষণার পর আমরা এই জ্যাকেটের ধারণাটি নিয়ে।

 

 

 

 

 

এটিকে আরো কিছুটা উন্নত করবো। এতে সেন্সর লাগাবো। জ্যাকেটের হাতা ছাড়াও অন্যান্য জায়গাতেও ইলেকট্রোড বসাতে হবে। এই প্রযুক্তি হয়তো পরে ব্লাউজ, স্কার্ট এবং ট্রাউজারের মতো পোশাকেও লাগানো যেতে পারে। তারা প্রায় ৫০ ডলার দামে তাদের তৈরি এই জ্যাকেট বিক্রি করবেন।

 

 

 

 

 

যখন কোনো নারীর উপর ধর্ষণের মতো এরকম অবস্থায় তেরি হয় তখন হামলারি জ্যাকেটের হাতার ইলেকট্রোডকে স্পর্শ করবে তখন সার্কিটটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং যিনি স্পর্শ করবেন তার গায়ে বিদ্যুৎতের শক লাগবে। তখন হামলাকারী হতভম্ব হয়ে যাবেন এবং তখনই নির্যাতিত নারী দৌড়ে পালাতে পারবেন এবং তিনি যে হামলার শিকার হয়েছেন সেটা তিনি আশেপাশের লোকজনকে জানানোর সুযোগ পাবেন।

 

 

 

 

বর্তমানে নারীদের উপর যৌন হামলা ক্রমেই বেড়ে চলছে। আর এই যৌন হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে মেক্সিকোর চারজন শিক্ষার্থী মিলে একটি জ্যাকেট উদ্ভাবন করেছেন।

 

 

 

 

 

এই জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় থাকলে কেউ যখন তার উপর হামলা চালাতে আসবে তখন জ্যাকেটের হাতা থেকে হামলাকারীর গায়ে বৈদ্যুতিক শক লাগবে। পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি এই জ্যাকেটের নাম দেয়া হয়েছে ওমেন ওয়েরাবেল।

 

 

 

 

আর এই বৈদ্যুতিক শকের তীব্রতা এতোটাই কম যে এর ফলে জ্যাকেটটিকে কোনো ধরনের অস্ত্র হিসেবে গণ্য করা যাবে না। তবে এর মাধ্যমে যে কোনো ধরনের যৌন হামলা ঠেকানো সম্ভব হবে। এটি হতে পারে আত্মরক্ষার একটি হাতিয়ার।

 

 

 

 

শিক্ষার্থীরা প্রথমে সুতার তৈরি একটি ট্র্যাক সুট কিনে আনেন। তারপর তার লাইানিং-এর ভেতরে ৯ ভোল্টের একটি ব্যাটারি, একটি ট্রান্সফরমার এবং কিছু তার ঢুকিয়ে দেন। এগুলো এমনভাবে পেঁচানো অবস্থায় থাকে যে যিনি এই জ্যাকেট পরবেন তার গায়ে বিদ্যুতের শক লাগবে না। বিদ্যুৎ চালু ও বন্ধ করার জন্যে সেখানে একটি সুইচ বা বোতাম লাগানো আছে। আছে একটি এলইডি বাতিও।

 

 

 

 

 

 

রোবটিক্সের শিক্ষার্থী গিওয়ান পার্ক সার্কিটের নকশা তৈরি করেছেন। জ্যাকেটের একটি বোতামের মাধ্যমে এর ভেতরে বিদ্যুৎ চালু করা হয়। লাইট জ্বলে উঠতে বুঝতে হবে যে নিজেকে রক্ষা করার জন্যে জামাটি তৈরি হয়ে গেছে।

 

 

 

 

এখানে বৈদ্যুতিক শকের মাত্রা খুব কম। এর ফলে কারো জীবনের উপর হুমকি তৈরি হবে না। আর একারণে এই জ্যাকেটটি কোন ধরনের অস্ত্র হিসেবেও বিবেচিত হবে না। পরীক্ষামূলকভাবে এই জ্যাকেটটি তৈরি করতে সময় লেগেছে তিন মাসের মতো।

 

 

 

 

উদ্ভাবক শিক্ষার্থীরা বলেছেন, মানুষের উপর ধর্ষণের মতো সহিংসতার কিছু গবেষণার পর আমরা এই জ্যাকেটের ধারণাটি নিয়ে।

 

 

 

 

 

এটিকে আরো কিছুটা উন্নত করবো। এতে সেন্সর লাগাবো। জ্যাকেটের হাতা ছাড়াও অন্যান্য জায়গাতেও ইলেকট্রোড বসাতে হবে। এই প্রযুক্তি হয়তো পরে ব্লাউজ, স্কার্ট এবং ট্রাউজারের মতো পোশাকেও লাগানো যেতে পারে। তারা প্রায় ৫০ ডলার দামে তাদের তৈরি এই জ্যাকেট বিক্রি করবেন।

 

 

 

 

 

 

যখন কোনো নারীর উপর ধর্ষণের মতো এরকম অবস্থায় তেরি হয় তখন হামলারি জ্যাকেটের হাতার ইলেকট্রোডকে স্পর্শ করবে তখন সার্কিটটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং যিনি স্পর্শ করবেন তার গায়ে বিদ্যুৎতের শক লাগবে।

 

 

 

 

 

 

তখন হামলাকারী হতভম্ব হয়ে যাবেন এবং তখনই নির্যাতিত নারী দৌড়ে পালাতে পারবেন এবং তিনি যে হামলার শিকার হয়েছেন সেটা তিনি আশেপাশের লোকজনকে জানানোর সুযোগ পাবেন।