প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      দামি কাপড় ও গয়না পরাই তার স্টাইল। এ কারণে তাকে অনেকেই সম্বোধন করেন ‘গুরু অব ব্লিং’ নামে। আবার অনেকে বলেন ‘রকস্টার বাবা’। বলা হচ্ছে ‘এমএসজি : দ্য মেসেঞ্জার’, ‘এমএসজি২ দ্য মেসেঞ্জার’, ‘এমএসজি : দ্য ওয়ারিয়র লায়ন হার্ট’ নামের তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ধর্মগুরু রাম রহিম সিংয়ের কথা।

 

 

 

 

 

দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেল এক বছর। গত বছরের ২৫ অাগস্ট পঞ্চকুলার আদালতে কারদণ্ডে দণ্ডিত হন বাবা রাম রহিম। সে সময় পর সাজা ঘোষণা পুরো ভারতেজুড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল।

 

 

 

 

এক বছর পরে কেমন আছে সেই রাম রহিম? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, পুরোপুরি বদলে গেছেন এই ধর্ষক বাবার জীবন। দৈনিক তার আয় ৪০ টাকা।

 

 

 

 

ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ভোর পাঁচটা থেকে সাড়ে পাঁচটায় ঘুম থেকে ওঠেন সে। তারপর বারান্দায় পায়চারী। ঘণ্টাখানেক পরে বাগানে। তার আগে কখনও কখনও যোগাসনও করেন সে।

 

 

 

 

 

প্রতিদিন ২ ঘণ্টা ধরে চাষবাস করার পরে নাস্তা করেন। তারপর শুনানির জন্য ভিডিও কনফারেন্সিং। না হলে অবসর কাটে বইয়ে মুখ গুঁজে।

 

 

 

 

 

 

এক বছরে ১০৫ কেজি থেকে ৯২ কেজিতে নেমে এসেছে ওজন। এক সময়ের জৌলুসের জীবন এখন অতীত। নিতান্তই সাদামাটা জীবন যাপনে অভ্যস্ত তিনি। লোকচক্ষুর অন্তরালে রোহতক জেলে নিজের ১৫ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া ঘরেই দিন কেটে যায় তার।