প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে বিশ্বে মানবিক সঙ্কট ব্যবস্থাপনা ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বৈশ্বিক মানবিক চাহিদার কারণে ২০১৭ সালে বৈশ্বিক সঙ্কট ব্যবস্থাপনার মানবিক ও অর্থনৈতিক ব্যয় ২৩ দশমিক ৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে, যা ছিল এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

 

 

 

 

বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় এ যাবতকালে সংঘটিত সর্বাপেক্ষা বড় মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে। প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায় মানবিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পাশাপাশি ব্যয় আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

 

 

 

বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

 

 

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবসময়ই জাতিসংঘের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ও ‘টেকসই শান্তি’ বিষয়ক পদক্ষেপে নিবেদিত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদের সময় জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতি প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়।

 

 

 

 

বাংলাদেশের এই প্রস্তাব ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এজেন্ডাভুক্ত হয়, যা ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ‘ডিক্লারেশন অ্যান্ড প্রোগ্রাম অব অ্যাকশান অন কালচার অব পিস’ শিরোনামে ৫৩/২৪৩ নম্বর প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

 

 

 

 

 

শাহরিয়ার বলেন, আসন্ন ৭৩তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যখন রেজ্যুলেশনটির ফলোআপ করা হবে তখন সকল সদস্য রাষ্ট্র ১৯৯৯ সালে গৃহীত এই ঘোষণার ২০ বছর পূর্ণ করবে। তাই এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার জন্য তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

 

 

 

 

 

সভায় আরও বক্তব্য দেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ইউনেস্কোর শুভেচ্ছাদূত ড. রিগোবার্তা মেনচু তুম। স্বাগত ভাষণ দেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিরোস্লাভ লাইচ্যাক।

 

 

 

 

 

 

 

প্যানেল আলোচনায় সঞ্চালক ছিলেন জাতিসংঘের সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল করিম চৌধুরী।