প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     মানুষের বার্ধক্যে উপনীত হওয়া প্রতিরোধে চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবিত হতে চলেছে। এরফলে মানুষের আয়ু বাড়ানো যেতে পারে ১৫০ বছর পর্যন্ত। এছাড়া নতুন অঙ্গও ‘সৃষ্টি’ করা সম্ভব হবে, তাও নাকি ২০২০ সালের মধ্যেই।

 

 

 

 

 

মূলত, মানব দেহের কোন কোষকে পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে এটা করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড সিনক্লেয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা মিলে পদ্ধতিটি উদ্ভাবন করেছেন। এমনটাই জানা গেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলিমেইলের প্রতিবেদনে।

 

 

 

 

 

ড, সিনক্লেয়ার বলেন, এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে মানবদেহের হারানো কোনো অঙ্গও নতুন করে সৃষ্টি করা যাবে। এমনকি প্যারালাইসিসের রোগীরাও পুনরায় হাঁটাচলা করতে পারবেন।

 

 

 

 

 

 

আগামী দুই বছরের মধ্যে এই চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হবে।

 

 

 

নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতির পেছনের বিজ্ঞানটি হলো নিকোটিনামাইড অ্যাডেনিন ডিনিউক্লিওটাইড (এনএডি) নামের একটি মলকিউল বা অণু-জীবকোষ। এনএডি মূলত মানবদেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এই রাসায়নিকটি ইতোমধ্যেই পারকিনসনস রোগ এবং অত্যধিক ক্লান্তির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়েছে।

 

 

 

 

 

ড. সিনক্লেয়ার দাবি করেছেন, তিনি নিজেও মলকিউল ব্যবহার করে বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধে ওষুধ সেবন করেছেন। আর এরফলে তার দৈহিক বয়স অন্তত ২৪ বছর কমে গেছে।

 

 

 

 

 

 

তিনি আরো দাবি করেছেন, তার ৭৯ বছর বয়সী বাবাও গত দেড় বছর ধরে এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের পর পুনরায় তারুণ্য ফিরে পেয়েছেন।

 

 

 

 

তার এক শ্যালিকাও একই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে মেনোপোজ শুরু হওয়ার পরও পুনরায় সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা অর্জন করেছেন বলেও জানিয়েছেন অধ্যাপক সিনক্লেয়ার।

 

 

 

 

 

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ওষুধটি বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আশাবাদী তিনি। এর দাম হবে, দিনে এক কাপ কফির দামের সমান। তবে এ নিয়ে এখনো অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাকি আছে বলেও জানান তিনি।