প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার খালিশাকান্দি গ্রামে দুই সন্তানের জননী ও তার থেকে বয়সে ছোট পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছে।

 

 

 

 

জানা গেছে, এলাকাবাসী উপজেলার খালিশাকান্দি গ্রামের শরিফুল ইসলাম শাহীনের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী রোকেয়া বেগমকে (২৮) এবং একই গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে মহব্বত হোসেনের (২২) সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চলাকালীন হাতেনাতে ধরে ফেলে।

 

 

 

 

শুক্রবার (৩১ আগস্ট) রাতে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত থাকা অবস্থায় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে গ্রামবাসীরা মিলে শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের বিয়ে দেন। এ ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

 

 

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূ রোকেয়ার স্বামী শরিফুল ইসলাম শাহীন কাজের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। আর এই সুযোগে তার স্ত্রী রোকেয়া ও মহব্বত দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে শারীরিক মেলামেশা করে আসছিল। যদিও মহব্বত বয়সে রোকেয়ার চেয়ে ছোট। তবুও তাদের পরকীয়া সম্পর্ক থেমে থাকেনি।

 

 

 

 

শরিফুল-রোকেয়া দম্পতির সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। ছেলের বয়স ১০ বছর এবং মেয়ের বয়স ৫ বছর।

 

 

 

 

সূত্র জানায়, গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রোকেয়ার ঘরে মহব্বত প্রবেশ করে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হলে বিষয়টি গ্রামবাসী জানতে পারে। এরপর স্থানীয় লোকজন তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে।

 

 

 

 

পরে গ্রাম্য মাতব্বর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে শনিবার সকালে ৫ লাখ টাকা কাবিননামায় রোকেয়া-মহব্বত এর বিয়ে সম্পন্ন হয়।

 

 

 

 

 

এ ঘটনাটি প্রসঙ্গে মহব্বত হোসেন বলেন, এক বছর ধরে রোকেয়ার সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। অবশেষে আমাদের সম্মতিতে বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন বলেও জানান তিনি।

 

 

 

 

 

এদিকে স্থানীয় গ্রাম্য মাতব্বর আজিজুর রহমান জানান, অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত থাকার সময় মহব্বত ও রোকেয়াকে হাতেনাতে আটক করে এলাকাবাসী। পরে এলাকাবাসী সিদ্ধান্তে তাদের বিয়ে দেয়া হয়।

 

 

 

 

 

তিনি আরও জানান, বিয়েতে ওই যুগলের সম্মতি ছিল। এর আগে একই বৈঠকে রোকেয়া ও শরিফুলের তালাকনামা করা হয় বলেও জানান তিনি।

 

 

 

 

 

 

এ ব্যাপারে শাহজাহানপুর থানা পুলিশের ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনাটি শোনার পরে গত শনিবার এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামবাসীর সবার সিদ্ধান্তে বিয়ে হওয়ায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি বলেও জানান ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম।