প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যেমন কয়লার খনি খুড়ে খুড়ে হীরা বের হয়, আমার মনে হয়েছে ঠিক সেই ভাবেই যেন হীরার খনি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার গোপন এই রিপোর্টগুলো থেকেই আমরা সব থেকে মূল্যবান তথ্য আবিষ্কার করতে পারব।

 

 

 

 

শুক্রবার গণভবণ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে তৎকালীন পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার গোপন নথিগুলো সম্বলিত ‘সিক্রেট ডকুমেন্ট অব ইন্টেলিজেন্স ব্রান্স অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শিরোনামে বইটির ১৪ খণ্ডের প্রথম খণ্ড মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

 

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, যে পাকিস্তানকে যুদ্ধ করে আমরা পরাজিত করেছিলাম, সেই পাকিস্তানের অনেক বুদ্ধিজীবী বলছে আমাদেরকে বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। অর্থাৎ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

 

 

 

 

 

ভাষা আন্দোলনসহ বাঙ্গালীর স্বাধীনতার ধারাবাহিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্বলিত ১৪ খণ্ডে বইটি হাক্কানী পাবলিশার্স থেকে প্রকাশ করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

ছাত্র জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু করেন। পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ (আইবি) প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে তার কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট প্রেরণ করত।

 

 

 

 

এরই ভিত্তিতে বিনা বিচারে আটক, মামলাসহ নানামুখী নির্যাতন চলত। ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর নামে স্পেশাল ব্রাঞ্চে খোলা ব্যক্তিগত ফাইলে সংরক্ষিত ডকুমেন্ট সংকলন করে গ্রন্থাকারে বের করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

বইটির প্রথম খণ্ড ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত প্রাপ্ত ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে সংকলিত হলেও এ খণ্ডে ১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের পূর্বেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা ও মানবদরদি মনের পরিচয় পাওয়া যায়।