প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       বিভিন্ন কারণে অনেক সময়ই আমাদের স্মার্টফোনের জন্য আলাদা করে চার্জার কিনতে হয়। আর এসময় হতে হয় সাবধানী। কারণ চার্জার যদি নকল হয় তাহলে তা ক্ষতি করতে পারে দীর্ঘমেয়াদে। কিন্তু নকলের ভিড়ে আসল চার্জার চেনা বড় দায়। তবে একটু খেয়াল করলে আইফোন, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, শাওমি’র মতো প্রথম সারির স্মার্টফোনগুলোর চার্জারের আসল-নকল যাচাই করা যায়।

 

 

 

 

 

১) আইফোন

বাজারে সবথেকে বেশি নকল চার্জার পাওয়া যায় বোধহয় আইফোনের। আর আইফোনের চার্জারের আসল নকল যাচাই বাছাই করাও বেশ কঠিন। যদি চার্জারের গায়ে ‘Designed by Apple in California’ কথাটা লেখা থাকে তাহলে সেটি আসল। উপরন্তু নকল আইফোন চার্জারের গায়ে অ্যাপলের যে লোগোটি থাকে তা কম উজ্জ্বল থাকে।

 

 

 

 

 

২) স্যামস্যাং

স্যামসাং এর আসল ও নকল চার্জারের মধ্যে পার্থক্য খুবই কম আর সূক্ষ্ম। যদি চার্জারের গায়ে স্পেশিফিকেশনের পাশাপাশি “A+” এবং “Made in China” কথা দুইটি লেখা থাকে তাহলে চার্জারটি নকল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

 

 

 

 

 

৩) শাওমি

শাওমি চার্জার চিনতে হলে মাপতে হবে এর ক্যাবলের দৈর্ঘ্য। যদি ক্যাবলের দৈর্ঘ্য ১২০ সেন্টিমিটারের কম হয় এবং অ্যাডাপ্টারের আকার যদি অপেক্ষাকৃত বড় হয় তাহলে সেটি নকল চার্জার।

 

 

 

 

 

৪) হুয়াওয়ে

হুয়াওয়ের চার্জার আসল না নকল তা যাচাই করার উপায় অবশ্য বেশ সহজ। এরজন্য ধন্যবাদ দিতে হয় হুয়াওয়েকেই। চার্জারের গায়ে যে বারকোডটি থাকে সেটিকে স্ক্যান করে যাচাই করা যাবে চার্জারের আসলত্ব। বারকোড স্ক্যান করে যে তথ্য পাওয়া যাবে তার সাথে যদি চার্জারের গায়ে লেখা তথ্য মিলে যায় তাহলে সেটি আসল। অন্যথায় কিন্তু নয়।

 

 

 

 

 

 

৫) গুগল পিক্সেল

গুগল সবসময়ই তাদের পিক্সেল হ্যান্ডসেটের সাথে ফাস্ট চার্জার দিয়ে থাকে। বাজারেও যেসব চার্জার প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে থাকে সেগুলোও একই গুণ সম্পন্ন। তাই গুগলের কোন চার্জার দিয়ে যদি চার্জ হতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় নেয় মোবাইল, তাহলে সেটি নকল।