প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   বর্তমানের তরুন সমাজ ধীরে ধীরে যেন অগ্রসর হচ্ছে ধ্বংসের পথে। বর্তমানে তরুন সমাজরা দেহের চাহিদা মেটাতে করে বেরাচ্ছে নানান রকমের অপকর্ম। আর তার মাঝে জড়িয়ে পরছে বড় বড় সব অপরাধে।

 

 

 

 

বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ফাস্টফুড ও চায়নিজ রেস্তোরাঁ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ৪০ জন স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করে অভিভাবকদের হাতে তুলে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

 

 

 

 

সূ্ত্রে জানা যায়, এসব শিক্ষার্থীরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে রেস্তোরাঁয় এসে আপত্তিকর কাজে লিপ্ত হয়েছিল।

 

 

 

 

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আটককৃত এসব শিক্ষার্থীদেরকে অভিভাকদের ডেকে তাদের হাতে সন্তানদের তুলে দেন। এবং অভিভাকদেরকে সন্তানদের প্রতি নজর রাখার আহ্বান জানান।

 

 

 

 

প্রসঙ্গত, বগুড়া শহর ও শহরতলিতে বেশ কিছুদিন ধরেই ফাস্টফুড ও চায়নিজ রেস্তারাঁয় তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী, কপোত-কপোতিদের অবৈধ মেলামেশা চলছিল। বাদ যায়নি স্কুল, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও।

 

 

 

 

অভিযোগ পাওয়া যায়, টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ওই সমস্ত ফাস্টফুডের দোকান ও চায়নিজ রেস্তোরাঁয় কপোত-কপোতিদের জন্য একান্ত সময় কাটানোর জন্য কেবিনের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়।

 

 

 

 

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহলের নেতৃত্বে আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা বগুড়া নগরীর টাইমকার্ট, অনিয়ন, জলেশ্বরীতলার টেন-ইলেভেন ও সরকারি আজিজুল হক কলেজ এলাকায় অবস্থি হোটেল হ্যাভেন ফোর্টে অভিযান চালায়।

 

 

 

 

 

এ সময় স্কুল ও কলেজ ড্রেস পড়া ২০ জন ছেলে ও ২০ জন মেয়েকে ওইসব স্থানে থাকার কারণ জিজ্ঞাসা করে কোনো সদুত্তর না পেয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের জেলা প্রশাসন অফিস সম্মেলন কক্ষে নিনে আসা হয়।

 

 

 

 

 

এরপর প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের অভিভাবককে ডেকে এনে তাদের জিম্মায় ওইসব ছাত্র-ছাত্রীদের ছেড়ে দেয়া হয়। এ সময় অভিভাকদেরকে সন্তানদের প্রতি লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।