প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     যৌন জীবনকে সুখময় করতে যেমন নারী পুরুষ দু জনেরই ভুমিকা আছে, তেমনি ভুমিকা আছে বিভিন্ন আসনের বা কলাকৌশলেরও। যৌন মিলনে সুখ বা অধিক সুখ আনতে বিভিন্ন কলাকৌশলের ভমিকা সত্যিই আশ্চর্যজনক এবং তুপ্তময়।

 

 

 

প্রতিদিন যদি একইভাবে মিলন কার হয়, তবে প্রথম দিকেরমত উত্তেজনা থাকে না।দিন যতই যায় মিরনের আগ্রহ ততেই রোপ পেতে থাকে। দম্পতিরা তাদের যৌন মিরনে বৈচিত্রতা এন সহজেই ধরে রাখতে পারে যৌন তৃপ্তির নিত্যনৈমত্যিক আনন্দ। চলুন শুরু করি কীভাবে সম্পন্ন করবেন সেই পদ্ধতিগুলো।

 

 

 

 

মুখোমুখি অবস্থান : যৌন মিলনের ( sex ) শুরুতে পরস্পর পরস্পরের দিকে যৌনতার দৃষ্টিতে কিছুকষণ মুখোমুখি তাকায় থাকলে উভয়েরই উত্তেজনার সুষ্টি হবে।

 

 

 

 

 

নারীর চেষ্টা: নারী তার যোনীতে পুরুষাঙ্গ ৪৫ ডিগ্রী কোনে প্রবেশ করাবে।পুরুষের শিখতলিভাবে থাকা লিঙ্গকে জাগ্রত করেব নারী।সে তার স্তন, ভঙ্গাকুর ইত্যাদির মাধ্যমে পুরুষকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করবে। প্রথমবার লিঙ্গ উথিত না হলে, পুনারয় আবার একইভাবে চেষ্টা করবে।

 

 

 

 

পুরুষের চেষ্টা : নারীর যোনী মুখের পাতলা পর্দা, ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর যদি জিহ্বা দিয়ে নাড়াচাড়া করে তবে নারীর উত্তেজনা খুব দ্রুত উঠে।জিহ্বা ও হাতের আঙ্গুল দ্বারা নারীর যৌন উত্তেজনা খুব দ্রুত বাড়ানো যায়। তাই এক্ষেত্রে হাতের আঙ্গুল দিয়ে যোনিতে নাড়াচাড়া করার মাধ্যমেও নারীকে উত্তেজিত করেতে পারেন।

 

 

 

 

নারীর অধিগ্রহণ : নারীর যৌন অঙ্গগুলোর একটা ঘ্রাণ আছে।নারী যদি তার যৌন অঙ্গগুলো পুরুষের মুখের কাছে নিয়ে আসে, তবে যৌন অঙ্গের ঘ্রাণে পুরুষের যৌন ইচ্ছা দ্বিগুণ হয়।এর নাম নারীর অধিগ্রহণ।

 

 

 

 

 

জি-স্পট সেক্স : নারী ইংরেজী জি অক্ষরের মতো আসনে অথ্যাৎ দু হাঁটু গেড়ে বসবে।এই অবস্থানে থাকাকালে পুরুষ তার লিঙ্গ নারীর যোনীতে প্রবেশ করাবে।ভগাঙ্কুর হলো নারীর অন্যতম যৌন অঞ্চল। ভগাঙ্কুরে পুরুষের লিঙ্গ ছোঁয়ালেই যৌন অনুভতি হয়।একজন নারীও একজন পুরুষকে একইভাবে উত্তেজিত করতে পারে।

 

 

 

 

 

আধুনিক হট স্পট :আসলে নারীর শলরে প্রত্যেকটি অঙ্গতেই যৌন উত্তেজনা লুকিয়ে থাকে। নারীর প্রত্যেকটি অঙ্গকে তৃপ্তির মাধ্যমেই তাকে খুশি কার সম্ভব, অন্যথায় না। বিশেষ করে পেটের এবং তলপেটের একটু নিচের দিকে ভগাঙ্কুরের মাঝামাঝি স্থানে নারী উত্তেজনার কেন্দ্রস্তল।এক এক নারীর অবার এক এক রকম।

 

 

 

 

মৌখিক তীব্রতা : নারী পুরুষের যৌনাঙ্গ মুখে নিয়ে অথবা মুখের লালা দিযে ভিজিয়ে দিতে পারেন। এত রে পুরুষের উত্তেজনা চরম পর্যায়ে যায়। শিথীলভাব দূর করতে এই পদ্ধতি অতুলনীয়।

 

 

 

 

 

ত্বকের উত্তেজনা: পুরুষের ত্বকে ও উত্তেজনা লুকিয়ে থাকে।পুরুষের ত্বকের বিভিন্ন জয়গায় চুম্বনের মাধমে ইন্দ্রিয়গুলো জাগ্রত হয়। তবে সব থেকে উত্তেজক অংশ হলো পৃরৃষাঙ্গের ত্বক। তবে খেয়ার রাখতে হবে যে, অত্যন্ত উত্তেজিত হয়ে নারী নারী যেন তাতে কামড় বা বেশি জোরে আঘাত না করেণ। কারণ উত্তেজনা উছলে নারীর ও নিজের থেকে নিয়ন্ত্রন হারানোটা স্বাভাবিক।

 

 

 

 

 

পুরুষের অন্ডকোষ :অনেকে জানেন না যে পুরুষের অন্ডকোষে ও যৌনতা লুকিয়ে আছে। নারী যদি হালকা করে অন্ডকোষে চাপ দেয়, তাহলে পুরুষ বিশেষ আন্ন্দ লাভ করে।তবে কখনো জোরে চাপ দিবেন না।এত করে পুরুষ অসুবিধার মুখে পতিত হতে পারেন।