প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ইরান থেকে আসা ৩৪ জন ব্যক্তিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রোহিঙ্গা সন্দেহে আটকে রেখেছে এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ। গত দুই দিন ধরে আটক এসব ব্যক্তিদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন প্রমাণাদি দাখিলের পরও তারা মুক্তি মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

 

এতে করে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন আটককৃতদের স্বজনেরা। তবে পুলিশ বলছে, আউট পাসের মাধ্যমে দেশে আসায় তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গত রবিবার রাত তিনটার দিকে কুয়েত এয়ারলাইন্সের (কিউআর-২৮৩) মাধ্যমে তারা বাংলাদেশে আসেন।

 

 

 

 

আটককৃত সেলিম মিয়ার (৩৫) ছোট ভাই জানান, তাদের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার বড়ইউরিতে। বাবা মৃত সাহিদ মিয়া। গত দুই দিন ধরে ভাইকে মুক্ত করার জন্য ছুটে বেড়াচ্ছেন। তবুও কোন কূলকিনারা করতে পারছিলেন না। এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা চৌদ্দ পুরুষ বড়ইউরি গ্রামের বাসিন্দা। এখন পুলিশ বলছে আমার ভাই নাকি রোহিঙ্গা। তার তিন মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে।

 

 

 

 

 

তিনি আরো বলেন, গত ১২ বছর ধরে আমার ভাই ইরানে ছিলো। গত তিন মাস আগে ইরানী সেনাবাহিনী তাকেসহ আরো অনেক বাংলাদেশিকে আটক করে কারাগারে রাখে। পরবর্তীতে ইরানে থাকা আমাদের কয়েকজন স্বজনের মাধ্যমে বাংলাদেশি দূতাবাসের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করি।

 

 

 

 

পরবর্তীতে দেশ থেকে বিমানের টিকেটের টাকা পাঠিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমেই আমার ভাইকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়। আমার ভাইয়ের সঙ্গে আমাদের গ্রামের জয়নাল মিয়া রয়েছেন। তার বাবার নাম লেচু মিয়া। আর একই উপজেলার উপজেলারই রয়েছেন ৯ জন।

 

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের কর্তব্যরত পরিদর্শক শিকদার সাইফুল বলেন, আউট পাসের মাধ্যমে আসায় সন্দেহজনক কারণে ৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে বিভিন্ন সংস্থাও খোঁজ খবর নিচ্ছে। সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।