প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     জনগণের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৌপরিবহন খাতে দক্ষিণ এশিয়ায় রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, এ খাতকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রভূত অবদান রাখা সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।

 

 

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর এয়ারপোর্ট রোডস্থ লা মেরিডিয়ান হোটেলে দ্বিতীয় সাউথ এশিয়া ম্যারিটাইম এন্ড লজিষ্টিক ফোরাম ২০১৮-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদী ও নৌযান উন্নয়নে এবং মানুষ ও পণ্য পরিবহনে নদীর নাব্যতা রক্ষা, নদীর মাধ্যমে জলাধার সৃষ্টি ও নিরাপদ নদীপথ উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। নাব্যতা রক্ষার জন্য নদীগুলোতে ড্রেজিং-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

 

 

নৌপরিবহন ব্যবস্থা মূল্য ও জ্বালানি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে যৌক্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবহন মাধ্যম হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। এজন্য আমরা বন্ধ হয়ে যাওয়া নৌরুটগুলো চালু করা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

 

সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ ইনটারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) সনদ স্বাক্ষরকারী দেশ। ‘আইএমও ২০২০’ এর অর্থ হচ্ছে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমণ হ্রাসের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সামুদ্রিক জাহাজগুলোতে বিদ্যমান ৩ দশমিক ৫ শতাংশ সালফারযুক্ত জ্বালানির পরিবর্তে ০ দশমিক ৫ শতাংশ সালফারযুক্ত জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে।

 

 

 

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ, শিল্প ও পরিবহন খাতে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমণ হ্রাস করতে শুরু করেছি এবং নৌপরিবহন ব্যবস্থাতেও তা অনুসরণ করা হচ্ছে।