প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      সাপাহার উপজেলা সদরের এক পতিতার বাসা হতে খদ্দের সহ ওই পতিতাকে হাতে নাতে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনগণ। সোমবার দিবাগত রাতে সদরের সরকারী ডিগ্রী কলেজ হোস্টেলের সামনে প্রফেসর পাড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে।

 

 

 

 

জানা গেছে, ওই মহল্লার স্বামী পরিত্যাক্ত ডলি (৪০) নামের এক মহিলা বেশ কিছু দিন পূর্বে তার বাসায় একটি ছাত্রাবাস চালু করে স্কুল কলেজ পড়ুয়া বিভিন্ন শিক্ষার্থী ছেলেদের সহিত দেহ ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন করে আসছিল।

 

 

 

 

বিষয়টি জানা জানি হলে স্থানীয় জনগণ ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ওই ম্যাচটি তুলে দেয়া হলে কিছু দিন পূর্বে ওই মহিলা আবার বিভিন্ন আম ব্যবসায়ীদের ভাড়া দিয়ে একই কাজ করতে থাকে।

 

 

 

 

এরই প্রেক্ষিতে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে পত্নীতলা উপজেলার বটতলি গ্রামের মো: নিজাম উদ্দীনের পুত্র গোলাপ (৪০) ওই পতিতার বাড়ীতে গিয়ে তার সাথে শারিরীক মেলা মেশা করার সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই মহিলার ঘরের বাহির হতে সিটকিনী লাগিয়ে দেয় এবং সারা রাতভর তাদের পাহারা দিয়ে থাকে।

 

 

 

মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আকবর আলী ঘটনা স্থলে গিয়ে শত শত জনগণের সামনে তাদের জিঙ্গাসাবাদ করলে তারা রাতে তাদের শারিরীক সম্পর্কের কথা অকপটে স্বীকার করে।

 

 

 

 

এর পর চেয়ারম্যান বিষয়টি থানায় অবগত করলে পুলিশ ঘটনা স্থল হতে পতিতা ডলি ও তার খদ্দের গোলাপকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়।

 

 

 

 

এবিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুল আলম শাহ্ এর সাথে কথা বললে তিনি নওগাঁয় মিটিংএ থাকায় পুলিশের এস আই আমিনুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান , এখনও কোন মামলা দায়ের না হলেও ২৯০ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।