প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       লুৎফুজ্জামান বাবর। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠন করার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাই ছিল বাবরের ক্ষমতাবান হয়ে উঠার মূল ভিত্তি।

 

 

 

 

বাবর প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন, তবে মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী। কিন্তু ক্ষমতা প্রয়োগের মানদণ্ডে বাবর ছাপিয়ে গিয়েছিলেন তার পূর্ণ মন্ত্রীকে।

 

 

 

 

১৯৫৮ সালের ১০ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন লুৎফুজ্জামান বাবর। আর এদিনই তিনি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ পেলেন। তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এইচএসসি পর্যন্ত।

 

 

 

 

 

১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো নেত্রকোনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বাবর। এরপর ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ ২০০১ সালেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপরই তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

 

 

 

 

 

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভানেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন মারা যান। এই ঘটনায় ২২ আগস্ট মতিঝিল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

 

 

 

 

 

ঘটনার ১৪ বছর পর আজ সেই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেয়া হয়েছে। বাকি ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

 

 

 

 

 

বুধবার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে অবস্থিত ঢাকার ১নং অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।