প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  নিষিদ্ধ পাড়ায় কেন যায় পুরুষরা – চারিদিকে যখন সেক্স র‍্যাকেট নিয়ে এত গুঞ্জন৷ তখন জানিয়ে রাখা ভাল দেহব্যবসা চলছে কিন্তু একমাত্র পুরুষের দয়াতেই৷ অনেকে বলতেই পারেন জিগোলো প্রথা এখনও বাড়ছে৷ কিন্তু তবুও যৌন পল্লীতে পুরুষ খদ্দেরদেরই রমরমা৷ সকলে বলবেন পারিবারিক জীবনে সুখ শান্তির অভাবেই একজন পুরুষ যৌনপল্লির রঙিন আলোয় রাঙিয়ে তুলতে চান তার জীবন৷ কিন্তু যারাই পতিচালয়ে যান সেই সব পুরুষের জীবনের গল্পটা কি একই? যদিও সেটা নিয়ে ভিন্ন পুরুষের ভিন্ন মতামত৷ বিবাহত জীবনে সমস্যা বা জীবনের নিরাশা দূর করার পাশাপাশি অতিরিক্ত যৌন খিদে মেটাতেও বেশির ভাগ পুরুষই একজন পতিতার আশ্রয় নেন৷ এমনও কিছু পুরুষ রয়েছে যারা দীর্ঘদিন ধরে একজন পতিতার কাছেই যান৷ যে সব পুরুষরা যৌনকর্মীদের আশ্রয় নেন তাদের ছবি মোটামুটি একই ধরণের, কিন্তু তারা এই কাজের জন্য  কি যুক্তি দেন?

ফ্রেড ও লারা প্রায় ছয় বছর ধরে একে অপরকে চেনে৷ কিন্তু তফাৎ একটাই যে লারার সঙ্গে সময় কাটাতে ও সহবাস করার জন্য টাকা দেয় ফ্রেড৷ সহবাসের জন্য টাকা দেওয়া ঠিক কিনা তা নিয়ে দুজনে মাঝে মধ্যে ঝগড়াও করে৷চাকরি ছাড়ার পর ইন্টারনেটের মাধ্যমেই লারার সঙ্গে আলাপ হয় ফ্রেডের৷ তাদের দুজনের মধ্যে খুব ভাল একটা সম্পর্ক তৈরি হয়৷ লারা বলেন, ‘আমি দেখা করতে আসার আগেই ফ্রেড আমার অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে দেয়’৷

অন্যদিকে রবার্টের জীবন আবার বেশ খানিকটা অন্য৷ বেশ কয়েকবছর হল তার বিয়ে হয়েছে৷ রবার্ট বলেন, ‘আমি সেক্স খুব পছন্দ করি কিন্তু আমার যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে সে সেক্স তো দূরের কথা জড়িয়ে ধরা বা চুমু খাওয়াও পছন্দ করে না৷ যদিও জীবনসঙ্গীনি হিসেবে ও খুব ভাল’৷ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থাকতে চাইতাম৷ এই কারণেই আমাকে বাধ্য হয়ে টাকার বিনিময়ে যৌনতা কিনতে হয়েছে৷’ রবার্টের মত অনেকেই মনে করেন সম্পর্কের জটিলতা কাটাতে এটি একটি ভাল উপায়৷