প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  সরকার  অত্যাচার করে বিএনপিকে দুর্বল করতে চায় এমন দাবি করে বিএনপি  চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আমি যেদিন আদালতে যাই সে সময় আমার সঙ্গে ছেলেমেয়েরা থাকে। তাদের ওপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হামলা করে, গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

এরপর মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে নেয়।

শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি খিস্ট্রান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বড় দিনের কেক কাটেন।

খালেদা জিয়া বলেন, দেশে গণতন্ত্রও নাই; শান্তিও নাই। আমরা সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে কোনো নির্বাচন হয়নি। ১৫৪ জন বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যরাও ভোটে নির্বাচিত হন নাই।

তিনি বলেন, গাইবান্ধায় সরকারি দলের কর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়য়ের লোকদের বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এ রকম বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে তারা। আর দোষ দেয় বিএনপি ও বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের উপর। নতুন বছরে সরকারের অন্যায় অত্যাচার থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। যুব সমাজকে আওয়ামী লীগের লোকেরা মাদক দেয়। এদেরকে গ্রেপ্তারও করে না আর বিচারও হয় না।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, দেশটা আমাদের সবার। সবাই মিলে দেশটাকে গড়ব। সবাই মিলে কাজ করলে অনেক সুন্দর করতে পারব। বড়দিন ও নববর্ষে আমরা প্রত্যাশা করব আগামী বছরে গণতন্ত্র ফিরবে, শান্তি ফিরে আসবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যালবার্ট পি কস্তা, খিষ্ট্রান সম্প্রদায়ের নেতা সুব্রত রোজারিও, অধ্যাপক মার্শেল এন চিরান, সঞ্জিব হাওলাদার ও বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জন গমেজ প্রমুখ।