প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  হোয়াইট টি 

‘সাদা চা’ খুবই উপাদেয়। গন্ধও চমৎকার।

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়ল উপাদানে ভরপুর। কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওস্তাদ। এর হালকা মানের ক্যাফেইন অতিমাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণের প্রবণতা কমায়। ফেনোল নামের উপাদান বেশি থাকায় ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না। একনি চিকিৎসাতেও কার্যকর এ চা। যদি ওজন হারানোর চিন্তা করেন, তবে এই চা অনন্য। টানা ১৫ দিন খেলে উপকার পাবেন। প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ খেতে পারেন।

গ্রিন টি

নতুন করে বলার দরকার নেই।

এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের দূষিত উপাদানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। তাই ক্যান্সার প্রতিরোধে জাদুকরী। এটি খারাপ কোলেস্টেরলও কমায়। স্বাস্থ্যকর কোষ গঠনে সহায়তা করে। ত্বকের যত্নেও অনন্য। চিনির সঙ্গে এই চা মিশিয়ে ত্বক পরিষ্কারের স্ক্রাব বানানো যায়। টোনার হিসেবেও জনপ্রিয়। বন্ধ লোমকূপ খুলে দেয়। ফলে একনি ওঠার সম্ভাবনা থাকে না। চোখের ফোলাভাব দূর করতে পারে। নেয় চুলের যত্নও।
ব্ল্যাক টি : অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদানের জন্য সুখ্যাতি আছে। যেকোনো রোগের ঝুঁকি কমায় কালো চা। দেহে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রাখতেও পারদর্শী। ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করে। লোমকূপও পরিষ্কার রাখে। ত্বকে আনে কোমলতা।

ওলং টি

এই চা সুপারশপে পাবেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রাচুর্য রয়েছে এতে। ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। আরো আছে ম্যাঙ্গানিজ, পটাসিয়াম, কপার ও সেলেনিয়াম। ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে ভরসা রাখা যায় এর ওপর। ত্বকের প্রতি যত্নশীল এই চা ডার্ক স্পট দূর করে। বয়সজনিত বলিরেখা মিলিয়ে দেয়।

ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বাড়ে। যাদের ত্বকে চুলকানির সমস্যা রয়েছে, তারা এই চা থেকে উপকার পাবেন।

হারবাল টি

আদা, দারুচিনি, পুদিনা পাতা কিংবা লবঙ্গ ব্যবহার করা যেতে পারে এই চায়ে। এসবে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই দেহের বিষাক্ত উপাদান রোগবালাইয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারবে না।

ইন্ডিয়া টাইমস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার