প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট : নিপাট ভদ্রলোকের মতো আস্তে করে দরজা খুলে বেরিয়ে গেলো সে। মাথা নিচু বা উঁচু করে যাচ্ছে কিনা বলা যায় না। কিন্তু সে কাউকে বিরক্ত করছে না। সে ভার তুলছে অনায়াসে। নির্দেশ দিলে এমন অনেক জিনিস গুছিয়ে রাখতে মোটেও প্রতিবাদ করবে না। তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবেন? সে কিছুই বলবে না। মারমুখী হবে না আপনার প্রতি। তিনি নির্দেশ দিলেই কথা শোনেন। তিনি আসলে কোনো মানুষ নন। তিনি রোবট, নাম তার ‘অ্যাটলাস’।

 

অ্যাটলাস বাধা ডিঙাতে পারে। এর কথা আগেই হয়তো আপনারা শুনেছেন। কিন্তু তার অ্যাটলেট বা মারকুটে নায়কের মতো ব্যাকফ্লিপটি দারুণ ভাইরাল হয়েছে। এতে সবাই অবাক। এখান থেকে সেখানে লাফ দিয়ে বাধা টপকাতে পারে সে। এমনকি পেছনে ঘুরে একেবারে ডাইভারদের মতো ব্যাকফ্লিপ করে! এসব কাজে ভারসাম্য রাখতে মানুষের মতোই হাত-পা এদিক সেদিক করে পতন রোধ করে।

 

 

আমেরিকান কম্পানি বোস্টন ডায়নামিকস একে বানায় ২০১৬ সালে। এরা প্রথম প্রজন্মের জনপ্রিয় রোবট। সে দরজা খুলে আবার তা লাগিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে। রীতিমতো অ্যাথলেট সে। পরে কুকুরের আদলে আরো একটি রোবট বানায় তারা। এটা চার পায়ে দৌড়ায়। কুকুরের মতোই ভারসাম্য রক্ষা করে।

 

 

অ্যাটলাসকে বলা হয় হিউমানয়েড রোবট। এদের বানানো হয়েছে মানুষের আকৃতিতে। যদিও যন্ত্রসর্বস্ব বিষয়টি পরিষ্কার। কিন্তু এটাকে পুরোপুরি মানুষের চেহারা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব। তবে ব্যাকফ্লিপের সময় দক্ষ অ্যাথলেট যেমন মাটিতে পড়েই সেখানেই ঠাঁই দাঁড়িয়ে যায়, অ্যাটলাস এখনো ততটা দক্ষ হয়ে ওঠেনি। তবে মাঝে মধ্য তাও করতে পারে। সে দুই পা এদিক সেদিক করে ভারসাম্য রাখা শিখেছে। আবার হাস্যকরভাবে পড়েও যায়। এভাবে কোনো মানুষও পড়ে যায়।

 

এই ভিডিওতে দেখুন অ্যাটলাসে সেই বিখ্যাত ব্যাকফ্লিপ। এটা না দেখা পর্যন্ত ধৈর্য হারাবেন না।