প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  চট্টগ্রাম নগরীতে ঘুষ দাবি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন চন্দ্রঘোনা থানার ওসি মাহমুদুল হাই। তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। আজ মঙ্গলবার মাহমুদুল চট্টগ্রাম মহানগরের সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহে নূরের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা ২০০৫ সালে নগরীর হালিশহর থানায় কর্মরত ছিলেন।  মামলায় আনা অভিযোগের সময়কালও ২০০৫ সাল।

 

আমেরিকা প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী খানের ঘুষ দাবি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় মাহমুদুল এবং এসআই মো.আশরাফুল ইসলামের আদালতে হাজিরের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু মাহমুদুল হাজির না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী। দুদক আইনজীবী মেজবাহ জানান, আসামিরা উচ্চ আদালতে যাওয়ায় গত ৮ বছর ধরে মামলাটি সচল ছিল না।  ২০১৬ সালে আসামিদের রিট খারিজ হয়। এরপর সোমবার আসামিদের হাজিরের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

 

মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর একটি সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী খান এবং তার বন্ধুর প্রাইভেট কারের চালককে ঘুষের হজন্য বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। কয়েকটি মামলা দিয়েও তাদের হয়রানি করা হয়। ২০০৭ সালের ১৩ জুন চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।  ২০০৯ সালের ২৮ জানুয়ারী মামলা আমলে নিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে ওই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি হাজির হতে নির্দেশ দেন আদালত।