প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :    সামা কিসমারা। প্রথম বর্ষে পড়েন সৌদি আরবের একমাত্র চলচ্চিত্র বিষয়ক স্কুলে। জেদ্দার ইফফাত ইউনিভার্সিটিতে তার বিভাগের নাম ছিল ‘ভিজ্যুয়াল অ্যান্ড ডিজিটাল প্রোডাকশন’।

কিন্তু এ বছর ওই বিভাগের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়, সিনেমাটিক অার্টস। সেখানেই প্রথম বর্ষে পড়েন তিনি। এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্যামেরায় বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে দৃশ্য ধারণ সম্পর্কে জানতে।

সেই সঙ্গে চলচ্চিত্রের ইতিহাস, উদ্ধব, বিকাশ ও ধারা সম্পর্কেও পড়াশোনা করছেন। তিনি ও তার বান্ধবীরা এখন স্বপ্ন দেখছেন চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন।

দীর্ঘ ৩৫ বছর নিষিদ্ধ থাকার পর সম্প্রতি চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারিভাবে বলা হচ্ছে, চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির জন্য সুদিন অপেক্ষা করছে। দেশটিতে প্রায় তিনশ সিনেমাহল নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এছাড়া এ খাতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করাসহ ২৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি সৌদি অর্থনীতিতে যোগ করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সিনেমার ছাত্রী কুররাতুলাইন ওয়াহাব বলেন, আগে আমরা কোনো শপিংমলে ক্যামেরা নিয়ে ঢুকতে চাইলে বাধা দেওয়া হতো। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। মানুষ আমাদের ইতিবাচকভাবে দেখছে।