প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     নিরাপদ পণ্য ও সেবা পাওয়া ভোক্তার অধিকার হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সে অধিকার বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অস্বাস্থ্যকর খাবার, পণ্য উৎপাদন ও পরিবহন খাতের অনিয়ম, এমনকি নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ। দায়িত্বপ্রাপ্তদের উদাসীনতা আর অব্যবস্থাপনার কারণে আইনের সুফল পাচ্ছে না সাধারণ নাগরিক।

 

ইট ভাটায় দেখা যায় সরকার নির্ধারিত পরিমাপের থেকে অনেক ছোট আকারে তৈরি করা হচ্ছে ইট। এসময় মালিকপক্ষ পরিমাপের বিষয়ে না জানার কথা বললেও তাদের জরিমানা করা হয়। ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে পাওয়া যায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধ।

হোটেলে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাবার। আর বাসি খাবার খাওয়ানো হচ্ছে ক্রেতাদের। শাস্তি স্বরূপ এসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। এমনই কাঁচাবাজার কিংবা পরিবহন খাতে এমন অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানান প্রতিনিয়ত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে পরিবহন কর্মচারীরা।

তারা বলেন, অনেক সময় সিটিং সার্ভিসের কথা বলে ভাড়ার চার্ট দেখায় কিন্তু আদতে সিটিং বলে কোনো কিছু মানা হয় না। এসব অনিয়ম বন্ধে সরকার ভোক্তা অধিকার আইন ও অধিদফতর করলেও অব্যবস্থাপনার কারণে মানুষ এর সুফল পাচ্ছে না বলে মনে করেন ভোক্তা অধিকার সংগঠকরা।

এ ব্যাপারে কনসাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেন, একটা আইন হলেও তার সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। অধিদফতরের উচিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহযোগিতা করা।

তবে জনসংখ্যার তুলনায় প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা না থাকায় কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের ডিজি শফিকুল ইসলাম লসকর। ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি অধিকার বঞ্চিত হলে নিজে কিংবা ইমেইলের মাধ্যমে প্রমাণসহ অভিযোগ করলে তার বিচার নিশ্চিত করা হয়।