প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     এ সরকারের আমলে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের বড় কোনো ক্ষতি হয়ে থাকে তা হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ধ্বংস। কোনো বিচারকের পক্ষে ভয়ভীতি উপেক্ষা করে রায় দেওয়া সম্ভব নয়। খাতা কলমে বিচারকদের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু বাস্তবিক অর্থে তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন আয়োজিত নাগরিক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যতই কলাকৌশল করেন না কেন, জনগণের বিজয় আসবেই। খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখতে যতই বিলম্ব করুন না কেন, তিনি কারামুক্ত হবেন এবং তার নেতৃত্বেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।

 

বিএনপিকে হাত-পা বেঁধে সাঁতার কাটতে বলা হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের নেত্রীকে কারাগারে রেখে, দলীয় নেতাকর্মীদের কারাগারে রেখে, নির্বাচনে আসতে বলা হচ্ছে। তা কী করে সম্ভব? কৃত্রিম উপায়ে আপনারা যতই দল বানান না কেন, তাতে কোনো লাভ হবে না। বিএনপিই একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি বলেছেন, আপনারা (সরকার) একদিকে বলছেন সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন চান, বিএনপি নির্বাচনে আসুক। অন্যদিকে বলছেন, খবরদার সভা-সমাবেশ করবেন না। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপিই একমাত্র দল যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ক্ষমতায় আসতে পারে।

 

সরকারি খরচে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারণার সমালোচনা করে মওদুদ বলেন, সরকারি খরচে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং শতশত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। তিনি (শেখ হাসিনা) পারেন দলীয় সভানেত্রী হিসেবে দলীয় খরচে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে নৌকায় ভোট চাইতে। কিন্তু সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করতে গিয়ে দলীয় প্রতীকে ভোট চাইতে পারেন না। দলীয় প্রচারণায় গেলে একইসঙ্গে খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে সমান সুযোগ দিতে হবে।