প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  তাদের প্রথম আলাপ শোকস্তব্ধ এক পরিবেশে। এখন তারা স্বামী-স্ত্রী।

 

 

আমেরিকার টেনেসিতে ৭১ বছরের বৃদ্ধা অ্যালমেডা এরেল গতবছর বিয়ে করেছিলেন ১৮ বছর বয়সী গ্যারি হার্ডউইককে। দুজনেই সুখি এই অসমবয়সী দাম্পত্যে।

 

 

অ্যালমেডার সঙ্গে গ্যারির প্রথম দেখা গির্জায়। চলছিল অ্যালমেডার বড় ছেলে রবার্টের অন্ত্যেষ্টি। পুত্রশোকে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন বৃদ্ধা মা। গির্জার অন্য প্রান্তে ছিলেন গ্যারি। তাঁর চোখে অ্যালমেডা কী দেখেছিলেন এখনও জানেন না। গভীর শোকের মাঝে খুঁজে পেয়েছিলেন আলোর দিশা।

 

 

মাত্র তিন সপ্তাহের প্রেমের পরেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন দুজনে।

৬ দিনের মধ্যে হয় ব্যবস্থা। পৌত্রসম গ্যারির সঙ্গে আংটিবদল হয়ে যায় অ্যালমেডার। বিয়ের পরে গ্যারি প্রথমে ছিলেন নতুন কনের বাড়িতেই। তাঁর অন্য পরিজনের সঙ্গে। এবং অ্যালমেডার নাতি অ্যালমেডার স্বামী গ্যারির থেকে তিন বছরের বড় ! সদ্য তারুণ্যে পা দেওয়া গ্যারি জানাচ্ছেন শারীরিক এবং মানসিক দু দিক দিয়েই তাঁদের বিয়ে সম্পূর্ণ। কারণ অ্যালমেডা মনের দিক দিয়ে চিরতরুণী।

৪৩ বছরের দাম্পত্য কাটাবার অরে অ্যালমেডার প্রথম স্বামী ডোনাল্ড মারা যান কয়েক বছর আগে। তাঁর চার সন্তানের মধ্যে বড় ছেলেরও মৃত্যু হয়। নিঃসীম একাকিত্বের মধ্যে পড়ে যান অ্যালমেডা। গ্যারি এসে তাঁর সেই শূন্যতা পূরণ করেন।

অন্যদিকে গ্যারি শৈশব থেকেই প্রবীণাদের প্রতি আকৃষ্ট। আট বছর বয়সে প্রেমে পড়েছিলেন ক্লাসের শিক্ষিকার। ইদানীং প্রেম করছিলেন আর এক সত্তরোর্ধ্ব প্রবীণার সঙ্গে। কিন্তু সেই সম্পর্কে প্রেমের থেকেও বেশি ছিল ঝগড়া। ফলে অ্যালমেডরা সঙ্গে আলাপ হতে সেই বান্ধবীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে দুবার ভাবেননি গ্যারি। এখন সে বিভোর তাঁর ঠাকুমার বয়সী স্ত্রী নীলনয়না অ্যালমেডাকে নিয়ে।