প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন তাদের একটি প্রকল্পের আওতায় আকাশে ওড়া ইউএফও (আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট) সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়। এ প্রকল্পে তারা এমনকি ইউএফওর খণ্ডও উদ্ধার করে।

 

 

ইউএফওর সেই ধাতব খণ্ড কী দিয়ে তৈরি, তা এখনও জানতে পারেনি গবেষকরা। তবে ধাতব খণ্ডটি কয়েক ধরনের ধাতবের সংমিশ্রণ বা শংকর ধাতু বলে মনে করছেন তারা।

 

 

পেন্টাগনের এ গোপন প্রকল্পটির আওতায় ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ইউএফও বিষয়ে খবর নেওয়া হয়। ২২ মিলিয়ন ডলার এ প্রকল্পে ব্যয় হয়।

 

 

সম্প্রতি এ প্রকল্পের কিছু গোপন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাতেই উঠে এসেছে সেই ধাতব বস্তু উদ্ধারসহ বিমান বাহিনীর পাইলটের ইউএফও তাড়া করার ঘটনা।

 

 

উদ্ধারকৃত ধাতব বস্তুটি সম্পর্কে মার্কিন বিভিন্ন গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে পেন্টাগনে যোগাযোগ করা হয়। তবে পেন্টাগন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে বা তথ্য প্রদান করতে রাজি হয়নি।

এছাড়া মার্কিন এক পাইলট তার ইউএফও তাড়া করার ঘটনা প্রকাশ করেন।

 

 

অবসরপ্রাপ্ত কমরেড ডেভিড ফ্রাভর নেভির পাইলট ছিলেন।

২০০৪ সালের ১৪ নভেম্বর যা ঘটেছে তার রহস্য তিনি আজও সমাধান করতে পারেননি। ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের আকাশে ৪০ ফুটের মতো দীর্ঘ পাখাবিহীন এক উড়ন্ত যানের পিছু নেন তিনি। ওটার গতি ছিল অচিন্তনীয়। ওটার চলাফেরা এমন ছিল যে পেন্টাগন ওটাকে ভিনগ্রহের উড়ন্ত যান বলেও ধরে নিয়ে নতুন এক গোপন প্রগ্রাম শুরু করে।

তিনি বলেন, সেই ইউএফওর চলাফেরার ধরন ও গতি কথা এখনও স্পষ্ট মনে আছে। পরিষ্কার দেখেছি, ওটার কোনো পাখা ছিল না।

আরেকজন মেরিন সাবেক কর্নেল স্টিফেন গ্যানিয়ার্ড ইউএফও দেখেছেন। তিনি সে সম্পর্কে বলেন, এই পৃথিবীর কোনো উড়ন্ত যান এত দ্রুত উড়তে পারে না। আমি জানি না ওটা ভিনগ্রহের প্রাণী ছিল কি না। এটা আদৌ আছে কিনা তাও জানি না। তবে যেটা দেখেছি, সেটা এই গ্রহের কোনো বস্তু নয়।

সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট