প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :        পরিবারের সুখের জন্যই মানুষ কাজে বেশি ব্যস্ত থাকে। কিন্তু তার মানে তো আর এই নয় যে, ব্যস্ততার কারণে পরিবারের কথা বেমালুম ভুলে যেতে হবে! বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, পারিবারিকভাবে সুখী মানুষের কার্যক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। তাই পরিবারে সুখে থাকাটা মুখ্য এবং পরিবারের প্রত্যেক মানুষকে খুশি রাখাও জরুরি। যদি আপনার সঙ্গী কাজে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকেন, তাহলে শুধু তাঁকে দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই। আপনিই এমন কোনো উপায় খুঁজে বের করুন, যাতে করে তাঁর জন্য আপনাকে সময় দেওয়াটা সুবিধাজনক হয়ে ওঠে। এ ক্ষেত্রে টাইমস অব ইন্ডিয়ার পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন :

 

১. আগে এটা বোঝার চেষ্টা করুন যে সঙ্গী কেন এত ব্যস্ত? আপনাদের কারণেই, তাই তো? তাহলে একবার তাঁর কথা ভেবে দেখুন তো, আপনাদের জন্য সে কতটা পরিশ্রম করছে? তাঁকে দোষারোপ না করে মানসিকভাবে সহায়তা করুন, যাতে সে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে। না হলে একটা সময় সে বিষণ্ণতায় ভুগতে পারে।

২. সঙ্গী সারা দিন কাজ করার পর বাসায় ফিরলে আপনি যদি তাঁর সঙ্গে ঝগড়াই করতে থাকেন, তাহলে যতটুকু সময় আপনি পেতেন, সেটাও হাতছাড়া হয়ে যাবে। সব সময় মনে রাখবেন, যতটুকু সময় পাবেন, তা পুরোটা উপভোগ করার চেষ্টা করা জরুরি। এক ঘণ্টাও যদি আপনি তাঁর সঙ্গে সারা দিনের ঘটনা নিয়ে কথা বলেন, তাহলেও দেখবেন অনেকটা হালকা লাগছে।

৩. যদি দুজনই চাকরিজীবী হোন, তাহলে একসময় অফিসে যাওয়ার চেষ্টা করুন। যাওয়ার পথে অনেকটা সময় পাওয়া যায় কথা বলার। আর বাসায় ফিরেও বেশ খানিকটা সময় পাবেন। তাই ব্যস্ততার হিসাব রেখে নিজেদের রুটিনটাও সাজিয়ে নিন।

৪. যদি আপনি গৃহিণী হন, তাহলে অনেক বেশি নিঃসঙ্গতা অনুভব করবেন। এ ক্ষেত্রে নিজের শখের প্রতি নজর দিন। সারা দিন নিজের পছন্দের কিছু না কিছু করুন। দেখবেন, সময় পার হয়ে যাবে এবং বিরক্তিও লাগবে না।

৫. যদি আপনার সঙ্গী সপ্তাহের ছয় দিনই অনেক ব্যস্ত থাকেন, তাহলে ছুটির দিনটি বেছে নিন। ধারেকাছে কোথাও ঘুরে আসুন, সিনেমা দেখতে যেতে পারেন অথবা রাতে বাইরে খেতে পারেন। এতে আপনিও বিরক্ত হবেন না, সঙ্গে সম্পর্কও চাঙ্গা থাকবে।