প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  রহস্যময় পেরিডোলিয়া (Pareidolia) নামের এক মানসিক পরিস্থিতির প্রভাবে মানুষ তার আশপাশের বিষয়বস্তুর মাঝে নিজের আকৃতি দেখে বা দেখতে চায়। কখনো এটা মানুষের মতো, কখনো বা জীবজন্তু বা অন্যকিছুর মতো মনে হয়। এই আসক্তি প্রায় প্রত্যেক মানুষের মাঝে আছে।
আমরা আকাশে ভাসমান মেঘ খণ্ডে মানুষ, ঘোড়া, হাতি, ভালুক, গাছের প্রতিরূপ দেখি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটা হয় মানুষের চেহারা। মঙ্গলগ্রহের সাইডোনিয়া অঞ্চলে বিভিন্ন পাথুরে আকৃতিতে ‘মানুষের চেহারার ছাপ’ নিয়ে অনেক মাতামাতি হয়েছে একসময়। তবে বাস্তবে ফল-ফলাদি বা শাকসবজিতে যদি দেখা যায় প্রায় অবিকল অন্য কোনো প্রাণীর রূপ! চমকপ্রদ হলেও বিষয়টি কিন্তু অবাস্তব না। কালের কণ্ঠের পাঠকদের জন্য এখানে তেমনই কিছু অদ্ভুত ফল ও সবজির ছবি দেওয়া হলো
এটাকে আদার চেয়ে বেশি টেডি বিয়ার মনে হচ্ছে। এই আদাকে কেটে-বেটে মশলা হিসেবে তরকারির পাতিলে দিতে যে কারোই বুক একটু হলেও কেমন কেমন করবে- এটা নিশ্চিত।
একে তো গাজরের চেয়ে বেশি চাইনিজ কুংফু মাস্টার মনে হয়। ‘ওস্তাদ’ মার্শাল আর্টের জটিল কোনো ভঙ্গি ধরে আছেন বলে মনে হয়। কিন্তু এরপরের ছবিটি কিন্তু আরো জটিল।
এই ছবির বামদিকে মানুষের পায়ের সঙ্গে ডানদিকে ‘গাজর পা’ রাখা হলো। কী অদ্ভুত, দেখুন।
এটা তো টমেটোর চেয়ে নাদুস নুদুস বিড়াল ছানা বেশি মনে হচ্ছে! দুটো কানও আছে বিড়ালের মতো খাড়া খাড়া।
আপেলের ভেতরে পেঁচা! লক্ষ্মী পেঁচার আত্মা কি আপেলের ভেতরে স্থান নিল!
সবজির মূলা তো নয় যেন হেলেদুলে হেঁটে যাচ্ছে রসরাজ গোপাল ভাঁড়!
আলু নয়, যেন সামনে দাঁড়িয়ে আছে মায়াবী মুখের কোনো মেষশাবক, যাকে কোনো নেকড়ে খেয়ে ফেলার হুমকি দিয়েছে যেন।
রসালো সুগন্ধযুক্ত স্ট্রবেরির চেয়ে একে বেশি অক্টোপাস মনে হচ্ছে যে সমুদ্রের গভীরে মানুষসহ অন্য প্রাণীকে সামনে পেলে আর আট বাহু দিয়ে জড়িয়ে ধরে আষ্টেপৃষ্ঠে।