প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     এয়ার হোস্টেসের পরীক্ষা দিতে গেলে একসময় মহিলাদের পরীক্ষা দিতে হল নিজেদের স্তনের৷ সম্প্রতি ১৯৩০ দশকের একটি শকিং ভিডিও৷ ভিডিওয় দেখা গিয়েছে এমনই একটি দৃশ্য৷ দেখা গিয়েছে, ডাক্তার আবেদনকারীর স্তন স্পর্শ করে পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন৷ আপাতত এই নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে সোশাল মিডিয়ায়৷

ভিডিওটি ১৯৩৬ সালের ইউনিভার্সাল নিউজরিলের৷ সেক্সিজম তখনও যে বিশ্বজুড়ে রাজত্ব করছিল, তারই একটা প্রমাণ এই ভিডিওটি৷ আবেদনকারীরকে তখন শারীরিক পরীক্ষা দিতে গোল্ডেন গেট ব্রিজে নিয়ে যাওয়া হত৷ ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, সেখানেই এক আবেদনকারীর বুকে হাত দিয়ে পরীক্ষা করছেন চিকিৎসকরা৷ এভাবেই হয় বক্ষের পরীক্ষা৷

কোমর নিতম্বের পরীক্ষাও তদনুরূপ৷ ভিডিওয় সেই দৃশ্যও দেখা গিয়েছে৷ কোমরের মাপ পরীক্ষা করার জন্য আবেদনকারীকে চেয়ারের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হত৷ আর নিতম্বের পরীক্ষা যেভাবে করা হত, তা ভাষায় বোঝানো দুষ্কর৷

সেই সঙ্গে এই এয়ারলাইন্স আরও একটি শর্ত আরোপ করত৷ যারা ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে যোগ দেবে, তাদের অবশ্যই সিঙ্গল হতে হবে৷ নাহলে চাকরি মিলবে না৷

লিঙ্গভেদ, সেক্সিজম, নারী-পুরুষ বৈষম্য যাই বলা হোক না কেন, ভিডিওটি দেখার পর সেই প্রশ্ন আরও স্পষ্ট হয়ে দেখা দিয়েছে৷ বরাবরই পাশ্চাত্যকে প্রাচ্যের থেকে এগিয়ে বলে ধরা হয়৷ সেই দেশে অবলীলায় এমন অশালীন আচরণ দেখা যাওয়া প্রশ্নের ঝড় বইছে৷