প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  মুন্সীগঞ্জ সদর ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী শিলই ও দিঘিরপাড় ইউনিয়ন ঘেঁষা পদ্মা নদীতে নির্মিত বাঁধ দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি তদন্ত করে এর সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। পদ্মা নদীতে বাঁধ নির্মাণ ও টোল আদায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা-ও জানতে চেয়েছেন আদালত।

 

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্ব-প্রণোদিত হয়ে গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন। মুন্সীগঞ্জের ডিসি, এসপি, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, শিলই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

 

একটি জাতীয় দৈনিকে ‘পদ্মায় অবৈধ বাঁধ নির্মাণ করে টোল আদায়’ শিরোনামে গতকাল বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে আদালত এই আদেশ দেন। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন অ্যাডভোকেট মুন্সি মনিরুজ্জামান। এ সময় রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান।

 

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মুন্সীগঞ্জ সদর ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী শিলই ও দিঘিরপাড় ইউনিয়নঘেঁষা পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে ট্রলি, মাহেন্দ্র ও মোটরসাইকেল পারাপার করা হচ্ছে। বাঁধ নির্মাণস্থলে টোলঘর বসিয়ে প্রতিদিন আদায় করা হচ্ছে হাজার হাজার টাকা। এই বাঁধের কারণে পদ্মা নদীর জোয়ার-ভাটার পানি প্রবাহিত হওয়ার স্বাভাবিক গতি বন্ধ হয়ে গেছে।