প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  সড়কে ন্যায্য হিসসার দাবি নিয়ে আন্দোলনরত ঝালকাঠি বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামান। আজ বুধবার বিকেলে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

 

বৈঠকে বরিশাল-পটুয়াখালী বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ বৈঠকেই দুই মালিক সমিতির দ্বন্দ্ব নিরসন হতে পারে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

 

জানা যায়, ঝালকাঠি জেলার আট কিলোমিটার সড়ক ব্যবহার করে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিভিন্ন রুটে গাড়ি চালাচ্ছে বরিশাল-পটুয়াখালী ও বরগুনা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি। অথচ ঝালকাঠি-বরিশাল ছাড়া অন্য কোনো রুটে ঝালকাঠি মালিক সমিতির গাড়ি চালাতে দেয় না বরিশাল-পটুয়াখালী বাস ও মিনি বাস মালিক সমিতি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সকল রুটে গাড়ি চলাচলে বারবার দাবি জানিয়ে আসলেও ঝালকাঠি মালিক সমিতির দাবি উপেক্ষিত হয়ে আসছে।

 

 

তাই দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বালকাঠি জেলার ওপর দিয়ে বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন বাস মালিক সমিতি ও আন্তঃজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। এতে বরিশাল-পটুয়াখালী বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির ২২ গাড়ি বন্ধ ঝালকাঠিতে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া বরিশাল-পটুয়াখালী সড়কের ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া জিরোপয়েন্ট থেকে আট কিলোমিটারের মধ্যে বরিশাল বাস মালিক সমিতির গাড়ি চলাচলেও বাধা দেয় ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতি।

 

 

এ নিয়ে উভয় সমিতির মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয় সড়কের বিভিন্ন স্থানে। অবশেষে দুই সমিতির দ্বন্দ্ব নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার। আজ বুধবার বিকেলে উভয় সমিতির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠকে বসবেন বিভাগীয় কমিশনার।

ঝালকাঠি বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির সরদার মো. শাহ আলম বলেন, ‘বিভাগীয় কমিশনার সাহেব আমাদের ডেকেছেন। তিনি আমাদের দাবির কথা ইতিমধ্যে শুনেছেন। আশা করি সড়কে ন্যায্য হিস্যা তাঁর মাধ্যমেই সমাধান হবে।