প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০১৭ সালের ব্যবসায় মুনাফার ৫৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তবে লভ্যাংশ প্রদান অনুপাত (ডিভিডেন্ড পে আউট রেশিও) হবে ৪৪ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২০১৭ সালে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিসহ সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৩.৮৯ টাকা। আর এই মুনাফার বিপরীতে কোম্পানিটির পর্ষদ ২২ শতাংশ হারে (১৭% নগদ ও ৫% বোনাস) প্রতিটি শেয়ারে ২.২০ টাকার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। যা মুনাফার ৫৭ শতাংশ। বাকি ৪৩ শতাংশ কোম্পানির রিজার্ভে যোগ হবে।

এদিকে নগদ লভ্যাংশ বাবদ মার্কেন্টাইল ব্যাংক থেকে শেয়ারহোল্ডারদের প্রতিটি শেয়ারে ১.৭০ টাকা প্রদান করতে হলেও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ারবাবদ কোন সম্পদ দিতে হবে না। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডারদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে শেয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে দিলেই হবে। যে কারনে ব্যাংকটির ২০১৭ সালের ব্যবসায় মুনাফার ৫৭ শতাংশ ঘোষণা করলেও লভ্যাংশ প্রদান অনুপাত হবে ৪৪ শতাংশ।

ব্যাংকটির ২০১৭ সালে শেয়ারপ্রতি ৩.৮৯ টাকা হিসেবে মোট ৩০১ কোটি ৯১ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছে। এরমধ্যে শেয়ারপ্রতি ১.৭০ টাকা হিসাবে শেয়ারহোল্ডারদের ১৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হবে। আর ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ারবাবদ ৩৮ কোটি ৮১ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন ও বাকি ১৩১ কোটি ১৬ লাখ টাকার রিজার্ভ বাড়বে।

৭৭৬ কোটি ১২ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ৯০৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার রিজার্ভ রয়েছে। তবে ২০১৭ সালে মুনাফার ৫৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করায় বাকি ৪৩ শতাংশ বা ১৩১ কোটি ১৬ লাখ টাকা রিজার্ভে যোগ হবে।

এর আগে ২০১২ সালে মুনাফার ৬৭ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরন করে এবং বাকি ৩৩ শতাংশ দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো হয়। এছাড়া ২০১৩ সালে ৩৩ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৩৭ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৩৬ শতাংশ ও ২০১৬ সালে মুনাফার ৩৪ শতাংশ দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো হয়।

উল্লেখ্য শনিবার (৩১ মার্চ) মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শেয়ার দর দাড়িঁয়েছে ২১.৪০ টাকায়।