প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :    বাঙালি মেয়েদের প্রেমে পরার জন্যে কোনও কারন লাগে না। তাদের মধ্যে সব ধরণের গুণ রয়েছে। যে বা যারা একজন বাঙালি মেয়ের প্রেমে পরেছেন তারা ভালোভাবে জানেন তাদের পাশে পাওয়ার সুবিধা কি।

 

রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে বর্তমানের সব কবিদের লেখায় এই বাঙালি মেয়েদের কথা বারবার ঘুরে ফিরে আসে। দেখলেই যেন বুকের ভিতর কেমন কেমন করে, এটা কিন্তু আপনিও অস্বীকার করতে পারবেন না। যে বিষয়গুলো জন্য একজন ছেলে বাঙালি মেয়েদের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে তা একবার দেখে নেওয়া যাক।

বাঙালি গার্লফ্রেন্ড কিন্তু পসেসিভ নয় : বাঙালি মেয়েরা কখনই সেই টাইপের প্রেমিকা নয় যে তারা এক মিনিট অন্তর অন্তর আপনাকে মেসেজ বা ফোন করে বিরক্ত করবে। তারা স্বনির্ভর ও স্বাবলম্বী। কোনো অবস্থাতেই সে আপনার ব্যক্তিগত পরিসর বা স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না, যদি না আপনি মাত্রাধিক রক্ষনশীল হওয়ার চেষ্টা করেন। একটি বাঙালি মেয়ের কাছে আপনি একটি মূল্যবান সম্পর্ক প্রত্যাশা করতে পারেন।

হাতে তার জাদু আছে : এক একদিন অন্তর অসাধারণ সব খাবার। বাঙালি মেয়ের সাথে প্রেম করলে আর কিছু পান বা না পান আপনার ডাইনিং টেবিলে সুস্বাদু সব খাবার অবশ্যই পাবেন। আমিষ হোক বা নিরামিষ তার থেকে ভালো রান্নার হাত আর কারুর নেই। লাঞ্চ বা ডিনারে বিশেষ কিছু খেতে চান? আপনি চোখ বুজে তার উপর ভরসা করতে পারেন আপনার প্রিয় কিছু আপনার সামনে উপস্থাপন করতে বেশি সময় লাগাবে না।

কত খাবে খাও নো চিন্তা : স্যালাড আর জুসের ডায়েট ভুলে যান। “আমি ডায়েটিং করছি” এমন কথা সে কোনোদিনও উচ্চারণ করবে না। যতই সে মোটা হয়ে যাক নিজের প্রিয় খাবার উপভোগ করার থেকে সে নিজেকে কখনই বঞ্চিত করবে না। নিশ্চয়ই শুনে আপনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন। যেখানে অনেক মহিলারাই নিজেদের স্বাস্থ্যের পরিচর্যা করার জন্য পাগল, সেখানে বাঙালি মেয়েরা এইসব বিষয়ে চিন্তিতই নন। তবুও দেখবেন তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উত্তর ভারতীয় মহিলাদের থেকে বেশি ভালো ফিগার রাখেন। কতটা খাচ্ছেন তার থেকে গুরুত্মপূর্ণ হল কি খাচ্ছেন।

শাড়িতে তোমায় লাগে বিউটিফুল : শাড়ি বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ পোশাক। আপনি হয়ত তাদের অনেককেই অন্য পোশাকে দেখবেন কিন্তু বাঙালি সংস্কৃতি অনুযায়ী শাড়িই মহিলাদের পোশাক। আর শাড়ি পড়ে তাদের কি অপূর্বই না দেখায়! আপনি সব সময়ই তাকে জিন্স আর টী-শার্ট পড়তে দেখবেন কিন্তু যখন সে শাড়ি পড়বে, তখন তাকে দেখাবে সর্বাধিক আত্মবিশ্বাসী আর অপরূপ। আপনার মনে হতে পারে যে শাড়ি হয়তো তৈরি করা হয়েছিল বাঙালি মেয়েদের জন্য।

কাজল কালো চোখ : কোন পুরুষ চায় না বলুন তার পছন্দের মানুষের ওই গভীর কালো চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে? আমরা এখনো এমন কাউকে খুঁজে পাইনি। পার্থিব সৌন্দর্যের অনেক উর্ধ্বে ওই চোখ দুটো। তার ওই গভীর কালো চোখ তার চরিত্রের গভীরতার পরিচয়।

প্রেমিকার মা-বাবার সঙ্গে কথা বলায় নো চাপ : কথায় বলে যে নিজের গার্লফ্রেন্ডের বাবাকে খুশি করা প্রায় অসম্ভব। কিন্ত বাঙালিদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা উল্টো, কারণ বাঙালি বাবারা খুবই শান্ত প্রকৃতির হন। তবে হ্যাঁ তার মায়ের মুখোমুখি হওয়া কঠিন হতে পারে। আপনি শুধু আপনার এই বান্ধবীকে নিয়েই খুশি হবেন না আপনি তার মা-বাবার সাথে দেখা করার এই পর্বেও খুশি হবেন। আর কি চাই?

পকেট ফাঁকা হওয়ার সম্ভাবনা নেই : আপনার বাঙালি গার্লফ্রেন্ডকে সুখী করা অত্যন্ত সহজ। তাকে শুধুমাত্র একটি বই উপহার দিন। হীরে জহরত সব সে পিছনে ফেলে দিতে পারে যদি তার সামনে এনে দিতে পারেন একটি ভালো বই। দেখেছেন তো তার মুখে হাসি ফোটানো ততটা কঠিন না যতটা আপনি ভেবেছিলেন! পকেট ফাঁকা না করেই আপনি তাকে অত্যন্ত খুশি রাখতে পারেন!