প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :    বলেন কী সিয়াম জেমসন! ভূতের সঙ্গে যৌন সংসর্গ করেছেন! তাঁর দাবি ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়। কিন্তু বিজ্ঞানে এর অন্যতর ব্যাখ্যা রয়েছে। তবু, ভূতের সঙ্গে সঙ্গমের দাবি বলে কথা। সিয়াম জেমসনের সমর্থনেও এগিয়ে এসেছেন অনেকে।

 

প্রায় চমকে দিয়েছেন সিয়াম জেমসন। ফিল্মে যেমন ঘটে, প্রায় তেমনই দাবি করেছেন তিনি। উত্তর লন্ডনের বাসিন্দা সিয়ামের দাবি, তাঁর এক অশরীরী পার্টনার রয়েছে, যে নিজে থেকেই বুঝতে পেরেছে সিয়ামের শরীরী চাহিদা।

সিয়ামের দাবি, ওই অশরীরী রীতিমতো হ্যান্ডসাম। ঘণ্টাখানেক ধরে তাঁরা যৌনক্রীড়ায় মেতেছিলেন। এমনকী সিয়াম এ-ও বলছেন যে, রবার্ট নামে ওই ব্যক্তি ১০০ বছর আগে মারা গিয়েছিল।

যুক্তির নিক্তিতে সিয়ামের দাবি মেনে নেওয়া কষ্টকর। কিন্তু সিয়াম ছাড়াও অনেক মহিলাকে এর আগে এমন দাবি করতে শোনা গিয়েছে। ডেমি মুরের সেই বিখ্যাত ছবিটির কথাও এ প্রসঙ্গে বলে রাখা যায়। সিয়াম বলছেন, তাঁর আরও একজন অশরীরী পার্টনার রয়েছে।

ঘটনা হল, বিজ্ঞানে এর ব্যাখ্যা রয়েছে। এহেন সমস্যাকে বলা হয় ‘স্পেকট্রোফিলিয়া’। অর্থাৎ, ভূতেদের প্রতি যৌন আকর্ষণ। সিয়ামের দাবি প্রকাশ্যে আসতেই সুর মিলিয়েছেন অ্যামেথিস্ট রেলম নামে আর এক মহিলা। তিনি বলেছেন, অশরীরী পার্টনারের সঙ্গে তাঁর মানসিক বন্ধন রীতিমতো দৃঢ়। অ্যামেথিস্টের দাবি, তাঁর ফিয়াসেঁ তাঁদের দু’জনকে একসঙ্গে দেখে ফেলার পরে বিয়ে ভেঙে যায়। অতঃপর ওই অশরীরীর সঙ্গে তিন বছরের সম্পর্ক।

একই দাবি ৫২ বছরের অ্যান এলিজাবেথের। তিনি বলেছেন, তাঁর একাধিক সম্পর্ক ভেঙেছে। প্রতিবারই সম্পর্ক ভাঙার পরে কোনও অশরীরী এসে তাঁকে তৃপ্ত করেছে।

কিন্তু মনোবিদরা বলছেন, ঘুমিয়ে পড়ার পরে শরীরের মাংসপেশী শিথিল হয়ে যায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ওই অবস্থায় মস্তিষ্ক জেগে ওঠে। এই সময়ে মনে হতে পারে যে, কেউ গায়ে হাত দিচ্ছে বা ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে। এমনকী হ্যালুসিনেশন পর্যন্ত হতে পারে।

তবে ভূত তো! সিয়ামের দাবিতে অনেকেই ঘাড় নাড়ছেন সম্মতিতে।