প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট : ”সেক্স টয়’ কেনার প্রবণতা বাড়ছে মহিলাদের মধ্যে’

 

মহিলাদের মধ্যে ‘সেক্স টয়’ কেনার প্রবণতা কি বাড়ছে? সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় পাওয়া ফলাফল বলছে উত্তরটা ‘হ্যাঁ’। রীতিমত পুরুষদের পিছনে ফেলে দিয়েছেন মহিলারা। সমীক্ষা বলছে, দেশের মধ্যে ‘সেক্স টয়’ সবচেয়ে বেশি কেনেন পাঞ্জাবের মহিলারা।

 

প্রায় ৮০ হাজার অর্ডার ও ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের পরই তৈরি হয়েছে এই সমীক্ষা রিপোর্ট। সেখানে বলা হয়েছে, নিজেদের যৌন জীবনকে আরও ‘ভরপুরভাবে উপভোগ’ করার জন্যই পাঞ্জাবি মহিলাদের মধ্যে যৌনক্রীড়কের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। সমীক্ষা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, তিরুবনন্তপুরম, বরোদা ও পুনের মত শহরেও রীতিমত পুরুষদের টেক্কা দিয়েছেন মহিলারা।

 

রাজ্যের দিক থেকে দেখতে গেলে ‘সেক্স টয়’ কেনায় একনম্বরে রয়েছে মহারাষ্ট্র। এরপরেই রয়েছে কর্নাটক। পশ্চিমবঙ্গের স্থান তৃতীয়। তারপর রয়েছে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ। গুজরাটের স্থান এদের সবার পরে হলেও, নবরাত্রির সময় ব্যাপক হারে বেড়ে যায় যৌনক্রীড়ক কেনা। তখন একলাফে তা উঠে আসে তিন নম্বরে।

 

রিপোর্ট বলছে, গত এক বছরে টায়ার-টু  ও টায়ার-থ্রি শহরগুলিতে ‘সেক্স টয়’ কেনার হার একলাফে বেড়েছে ২৫ শতাংশ। এই মুহূর্তে শহরগুলির মধ্যে ‘সেক্স টয়’ কেনায় শীর্ষে রয়েছে মুম্বই। দ্বিতীয়স্থানে দিল্লি। কলকাতা রয়েছে পাঁচ নম্বরে। পাশাপাশি লখনৌ, জয়পুর, গুরগাঁও, চণ্ডীগড়, শিলং, নান্দেদ, ইম্ফল, অনন্তপুরের মত শহরেও রয়েছে হাই ডিমান্ড।

 

আরও পড়ুন – জেনে নিন কনডমের প্রকারভেদ

 

বা কন্ডম৷ বাজারে বিভিন্ন রকমের গর্ভনিরোধকের চল রয়েছে৷ রয়েছে নানা ফ্লেভারে কন্ডম৷ কিন্তু, অনেকেই হয়তো জানে না, এসব কন্ডমের সুফল৷ ধারণা করা হয়, কন্ডম উৎপাদন পণ্যকে বাজারজাত করতেই এই সমস্ত চটক দিয়ে থাকে বাস্তবে কিন্তু তা নয়৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে যে সমস্ত কন্ডম পাওয়া যায় তার প্রত্যেক পৃথক সুফল রয়েছে৷

 

সবটাই কিন্তু চটক নয় এক্কেবারে৷ কন্ডমের রকমফেরে পৃথক সুখানুভূতি রয়েছে৷ তেমন ১০ রকমের কন্ডম সম্পর্কে নিচে দেয়া হলো।

 

১. রিবস : এই জাতীয় কন্ডমের আউটার লেয়ারে রিবস থাকে৷ মহিলাদের স্টিমুলেশন বাড়ায় এই রিবস৷ ফলে, মহিলাদের orgasm তাড়াতাড়ি হয়৷ তাই, যৌনমিলনের চরম শিখরে পৌঁছতে এর জুড়ি মেলা ভার৷

 

২. লং লাস্টিং : নামেই স্পষ্ট যে এই ধরনের কন্ডমের মহিমা৷ অনেকেই শীঘ্রপতনের সমস্যায় ভোগেন৷ তাদের জন্য এই কন্ডম আদর্শ। কন্ডমের মাথায় এক ধরনের সলিউশন লাগানো থাকে৷ যা পুরুষাঙ্গকে কিছুক্ষণের জন্য অবশ করে দেয়৷ স্বাভাবিকভাবেই এরফলে অর্গাজম হতে সময় লাগে৷

 

৩. আন ফ্লেভারড : এই ধরনের কন্ডম সবচেয়ে জনপ্রিয়৷ অধিকাংশরাই নিরাপদ যৌনমিলনের জন্য এই বিশেষ ধরনের কন্ডম ব্যবহার করে থাকেন৷ কিন্তু এই ধরনের কন্ডম কীভাবে সংরক্ষণের পদ্ধতিটা জেনে নেওয়াটা খুবই সরকার৷ এটি ব্যবহার করার আগে অবশ্যই মেয়াদ যাচাই করে নেবেন৷ তা না হলে বিপদে পড়তে হতে পারে৷

 

৪. অ্যালো ভেরা : আমরা ভাল করেই জানি যে অ্যালো ভেরার অনেক রকমের গুণ আছে৷ ভাবছেন কন্ডমের সঙ্গে অ্যালো ভেরার সম্পর্কটা কোথায়? যদি কখনও এক টুকরো অ্যালো ভেরা কাটেন, তবে দেখতে পাবেন জেলির মতো পিচ্ছিল পদার্থ বেরুচ্ছে। তাই ন্যাচারল লুব্রিকেন্ট পেতে চাইলে এই কন্ডম ব্যবহার করুন ।

 

৫. ফ্লেভারড : বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভারড কন্ডম পাওয়া যায়৷ ভ্যানিলা, স্ট্রবেরি, চকোলেট, বাবল গাম, কফি যা চাইবেন তাই পাবেন৷ এই ধরনের কন্ডম ওরাল সেক্সের সময় STD বা sexually transmitted disease-এর আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে দেয়৷

 

৬. ডটেড : এই জাতীয় কন্ডমের গায়ে ছোট ছোট ডট থাকে৷ অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে, এই ধরনের কন্ডমই আদর্শ৷ বেশিরভাগ কন্ডমেই লুব্রিকেন্ট থাকে৷ তার সঙ্গে ডট থাকায় মিলন হয়ে ওঠে একেবারে মধুর৷

 

৭. আলট্রা থিন : অধিকাংশ পুরুষ কন্ডম ব্যবহার করতে পছন্দ করেন৷ তারা মনে করেন কন্ডমের কারণে স্বাভাবিক সুখানুভূতি পাওয়া যায় না । তাদের জন্য রয়েছে আলট্রা থিন কন্ডম৷ এই কন্ডম খুব পাতলা হয়৷ একেবারে ‘সুপার থিন’৷ যাতে মনে হবে ‘ন্যাচরাল ফিল’ পাচ্ছেন৷

 

৮. বিগ হেড : অধিকাংশ কন্ডোম মোটামুটি সবাইকে ফিট করে৷ কিছু পুরুষ আছেন যাদের বড় সাইজ চাই। তাদের কথা মাথায় রেখে এই ধরনের কন্ডম বাজারে পাওয়া যায়৷ ভুল সাইজের কন্ডম ব্যবহার করা বন্ধ করা উচিত৷ কারণ, প্রয়োজনের তুলনায় ছোট সাইজের কন্ডম সহজেই ছিঁড়ে যেতে পারে৷ অজান্তেই ডেকে আনতে পারে বিপদ৷

 

৯. এক্সট্রা লুব্রিকেটেড : বহু মহিলা ড্রাই ভার্জিনার সমস্যায় ভোগেন৷ এই সমস্ত মহিলাদের এক্সট্রা লুব্রিকেটেড কন্ডম একেবারে আদর্শ৷ এই জাতীয় কন্ডমে নর্মাল কন্ডমের তুলনায় দু’গুণ বেশি লুব্রিকেন্ট দেওয়া থাকে৷ ফলে ঘর্ষণজনিত ব্যাথা কম হয়৷ পেইন ফ্রি সেক্স উপভোগ করা যায়।

 

১০. ওয়ার্ম : ওয়ার্ম এবং স্টেমি সেক্সের জন্য এই বিশেষ ধরনের কন্ডম৷ এই কন্ডমে ওয়ার্মিং এজেন্ট দিয়ে লুব্রিকেট করা হয়৷ ফলে, ব্যবহাকারীরা সহজেই আভাস পাবেন৷ আপনি এবার আপনার পছন্দ এবং প্রয়োজনমতো কন্ডমকে বেছে নিতে পারেন৷ অনুভব করতে পারেন যৌনমিলনের প্রকৃত সুখানুভূতি৷

 

আরও পড়ুন – যে ৫টি ভুল অভ্যাস কেড়ে নিচ্ছে আপনার যৌবন!

 

আজকাল বয়স ত্রিশের কোটা পার হতে না হতেই চেহারায় ও শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেখা যায় অনেকেরই। মুখের চামড়া ঝুলে পড়া কিংবা চোখের নিচের “ব্যাগ” তৈরি হওয়া, অথবা মুখে বয়স জনিত মেছতা, দাগ ও রিংকেল দেখা যায়। বিরূপ আবহাওয়ার পাশাপাশি এই অল্প বয়সে চেহারা বুড়িয়ে যাবার জন্য দায়ী আমাদেরই কিছু অভ্যাস। বলা চলে রীতিমত বদ অভ্যাস।

 

এই খারাপ অভ্যাসগুলো আমাদের ভেতরটার সাথে সাথে বাইরের সৌন্দর্যও কেড়ে নিচ্ছে। আপনার শরীরকে কেবল বুড়িয়ে দিচ্ছে না, নষ্ট করে দিচ্ছে আপনার চেহারার সৌন্দর্যকেও। বয়সের চাইতেও তাই অনেক বেশি বয়স্ক দেখাচ্ছে আপনাকে। অথচ সামান্য এই ভুল গুলো শুধরে নিলেই কোনো রকম বাড়তি যত্ন ছাড়াই আপনার শরীর ও চেহারার যৌবন থাকবে অটুট।

 

কম ঘুমানো – ব্যস্ততা কিংবা অন্যান্য অনেক কারণেই আমাদের ঘুম পরিমিত পরিমাণে হয় না। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দিনে ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন।

 

পরিমিত না ঘুমানোর জন্য দেহে অন্যান্য রোগের পাশাপাশি ত্বকেও দেখা যায় বয়সের ছাপ পড়তে। ডার্ক সার্কেল ও চোখের নিচের ফোলা ভাবের জন্য দায়ী পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। শুধু তাই নয় অপর্যাপ্ত ঘুমের কারনে দ্রুত মুখের চামড়া ঝুলে পড়তে দেখা যায়। আর হাজারো বাড়তি অসুখ বিশুখ তো সাথে আছেই বোনাস হিসাবে!

 

বেশি পরিমাণে মিষ্টি খাবার খাওয়া – বেশি পরিমাণে মিষ্টি খাবার খাওয়া শুধুমাত্র ওজনই বাড়ায় না, ত্বকেরও অনেক ক্ষতি করে। অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি হয়, ফলে ত্বকে রিংকেল দেখা যায়। এদিকে আপনার ওজন বাড়ায়, শরীরের জন্ম দেয় নানান রকম রোগ,খুব কম বয়সেই রীতিমত বার্ধক্য নিয়ে আসে শরীরে। সুতরাং মিষ্টি খাবার খাওয়া থেকে সাবধান।

 

ধূমপান ও মদ্যপান – ধূমপান ও মদ্যপানের ফলে শরীরের কি ক্ষতি হয় সেটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। একই সাথে চেহারারও ক্ষতি হয় ভীষণ। ত্বকের নিচের শিরা-উপশিরায় রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে যায়। এতে ত্বকের নিচের শিরা-উপশিরা স্থায়ীভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয়। ফলে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের বয়সজনিত দাগ দেখা দেয়।

 

অতিরিক্ত ব্যায়াম – ব্যায়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো। কিন্তু অতিরিক্ত কোনো কিছুই ঠিক নয়। আপনি যদি ভাবেন যে বেশি ব্যায়াম করলে শরীর সুগঠিত হবে তা হয়তো ঠিক। তবে এটাও ঠিক যে বেশি কায়িক পরিশ্রমও শরীর ও চেহারা থেকে কেড়ে নেয় যৌবন। এর পাশাপাশি ত্বকের যৌবনও হারাচ্ছেন। অতিরিক্ত ব্যায়ামের ফলে ত্বকের কোলাজেন টিস্যু ভেঙে যায়। এর ফলে ত্বকে রিংকেল দেখা দেয়। ত্বক বুড়িয়ে যায়।

 

সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা – অনেকেই রোদের পোড়াকে তেমন গুরুত্ব দেন না। আবার অনেকেই ভুলে কিংবা আলসেমি করে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন না। কিন্তু এতে আপনি আপনার নিজেরই ক্ষতি করে চলেছেন। সূর্যের রশ্মির তেজ আপনার চেহারায় দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে। মেছতা, দাগ, রিংকেল ও চামড়া ঝুলে পড়ার মত ক্ষতি করে রোদ। তাই প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।