প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  মার্কিন খেলনা কোম্পানি ম্যাটেল ১৯৫৯ সালের মার্চ মাসে প্রথম বার্বি পুতুল বাজারে আনে।

মার্কিন ব্যবসায়ী রুথ হ্যান্ডলার জার্মান পুতুল বিল্ড লিলি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই পুতুলটি নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন।

 

ম্যাটেল সম্প্রতি জানিয়েছে যে, বাজারে তাদের শেয়ারের সূচক নিম্নমুখী। কেননা বার্বির জনপ্রিয়তা কমছে। লাভের পরিমাণ ৩১ ভাগ থেকে কমে হয়েছে ৯ ভাগ।

অভিনেত্রী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব- গত কয়েক বছরে বার্বিকে এ সব রূপে দেখা গেছে। যেমন মেরিলিন মনরো, তেমনি জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল। সবার আদলেই তৈরি হয়েছে ছিপছিপে বার্বি।

 

২০১৪ সালে বার্বির পুরোনো দিন ফিরিয়ে আনতে তাকে নতুন ভাবে গড়ার এবং তাকে কীভাবে খেলা হবে, তাতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে এর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ম্যাটেল।

 

বর্তমান যুগকে ডিজিটাল যুগ বলা যেতে পারে। তাই এ যুগে ডিজিটাল খেলনার চাহিদাও বেশি। সুপার মারিও ব্রাদার্স বা স্পেস ইনভেডার্সের মতো নতুন ভিডিও গেমগুলোর চাহিদা শিশুদের কাছে বেড়েছে। তরুণদের কাছেও ভীষণ জনপ্রিয় এই ভিডিও গেমগুলো।

 

১৯৫৯ সাল থেকে চলে আসা বার্বির কদর যে একসময় কমবে, এটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ যুগের সাথে সাথে পাল্টাচ্ছে খেলার ধরণ। আর সেই সাথে বদলেছে খেলনার চাহিদা।

 

বার্বি পুতুল নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও রয়েছে। কেবল নারীদের খেলনা বলে এবং নারী শরীরকে অদ্ভুতভাবে উপস্থাপনের জন্য বার্বির বিরুদ্ধে গত বছর ব্যাপক বিক্ষোভ হয়ছে বিভিন্ন দেশে। এমনকি কোথাও কোথাও পোড়ানোও হয়েছে বার্বি ডল।

 

বার্বি যদি সত্যিকারের মানবী হত, তবে তার শারীরিক বৈশিষ্ট্য হতো ৩৬-১৬-৩৩। যা বাস্তবে অকল্পনীয়।

 

অবশ্য ম্যাটেলের দাবি, শিশুরা যাতে সহজে পোশাক পরিবর্তন করতে পারে সেজন্যই নাকি বার্বিকে এভাবে তৈরি করা হয়। অথচ বার্বি ডলের মতো ‘ফিগার’ এর আশায় কত অসংখ্য মেয়েই যে অস্ত্রপচার করিছে, তার ঠিক নেই।